Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৫ মে ২০২৬ · ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

পরাজয় মানতে নারাজ মমতা, ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ দাবি করে পদত্যাগে অস্বীকৃতি

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

অনলাইন ডেস্ক। 

কলকাতা, ৫ মে: পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ‘ষড়যন্ত্রের’ মাধ্যমে তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে।


মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।” তৃণমূল কংগ্রেস-এর এই শীর্ষ নেত্রী নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করেন।


তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে সরকারি যন্ত্র তার দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তার দাবি, প্রায় ১০০টি আসন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ভোটার তালিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, প্রায় ৯০ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের হস্তক্ষেপে ৩২ লাখ নাম পুনর্বহাল হলেও পরবর্তীতে গোপনে আরও সাত লাখ নাম যুক্ত করা হয়েছে।


তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশন-কে ‘বিজেপির কমিশন’ আখ্যা দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই নির্বাচনের ‘ভিলেন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কারচুপির ইঙ্গিত দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ভোটগ্রহণের পর কীভাবে ইভিএমে ৮০-৯০ শতাংশ চার্জ থাকে।


মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দুই দিন আগে থেকে তার দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন এনে বিজেপিপন্থী কর্মকর্তাদের বসানো হয়েছে।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন তিনি “মুক্ত বিহঙ্গ” হিসেবে কাজ করবেন এবং বিরোধী জোটকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবেন। এ সময় সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অখিলেশ যাদব-সহ বিভিন্ন বিরোধী নেতা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সংহতি জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।


মমতা বলেন, “গত ১৫ বছর জনসেবা করেছি, কোনো বেতন বা পেনশন নিইনি। এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কাজ করব। লক্ষ্য একটাই—বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করা।” তিনি জানান, আগামীকাল অখিলেশ যাদব কলকাতায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

অনলাইন ডেস্ক। 

কলকাতা, ৫ মে: পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ‘ষড়যন্ত্রের’ মাধ্যমে তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে।


মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।” তৃণমূল কংগ্রেস-এর এই শীর্ষ নেত্রী নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করেন।


তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে সরকারি যন্ত্র তার দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তার দাবি, প্রায় ১০০টি আসন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ভোটার তালিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, প্রায় ৯০ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের হস্তক্ষেপে ৩২ লাখ নাম পুনর্বহাল হলেও পরবর্তীতে গোপনে আরও সাত লাখ নাম যুক্ত করা হয়েছে।


তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশন-কে ‘বিজেপির কমিশন’ আখ্যা দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই নির্বাচনের ‘ভিলেন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কারচুপির ইঙ্গিত দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ভোটগ্রহণের পর কীভাবে ইভিএমে ৮০-৯০ শতাংশ চার্জ থাকে।


মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দুই দিন আগে থেকে তার দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন এনে বিজেপিপন্থী কর্মকর্তাদের বসানো হয়েছে।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন তিনি “মুক্ত বিহঙ্গ” হিসেবে কাজ করবেন এবং বিরোধী জোটকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবেন। এ সময় সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অখিলেশ যাদব-সহ বিভিন্ন বিরোধী নেতা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সংহতি জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।


মমতা বলেন, “গত ১৫ বছর জনসেবা করেছি, কোনো বেতন বা পেনশন নিইনি। এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কাজ করব। লক্ষ্য একটাই—বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করা।” তিনি জানান, আগামীকাল অখিলেশ যাদব কলকাতায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com