ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি : দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইনডোর কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে এ অনুমোদন প্রদান করা হয়।
উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-কে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের অনুভূতি বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভাবে সামান্য অসুস্থতার ক্ষেত্রেও সিলেট শহরে যেতে হতো। এতে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হওয়ায় বিশেষ করে দরিদ্র ও দিনমজুর পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়ত।
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া বলেন, “২০১৮ সাল থেকে আমরা এই হাসপাতাল উন্নীতকরণের জন্য কাজ করছি। এটি ওসমানীনগরবাসীর প্রাণের দাবি ছিল। আজ সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে দেখে আমরা আনন্দিত।”
তিনি আরও বলেন, পূর্বে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ভবন নির্মাণ ও জনবল নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছিল, এখন তা বাস্তব রূপ পাচ্ছে।
গোয়ালাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ঘরের কাছে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা বৃদ্ধ ছমেদ মিয়া বলেন, “অসুস্থ হলে রাতেও সিলেট যেতে হতো। এখন যদি আমাদের এলাকায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা পাওয়া যায়, তাহলে গরিব মানুষের বড় উপকার হবে।”
নারী রোগী তাজিরুন বেগম বলেন, মহিলাদের জন্য সিলেট যাতায়াত অনেক কষ্টের ছিল। এখন ঘরের কাছে সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা শুনে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, পর্যায়ক্রমে জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংযোজনের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ইনডোর সেবা চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
ওসমানীনগরবাসীর প্রত্যাশা, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে হাসপাতালটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে এবং স্থানীয় মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবে।
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি : দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইনডোর কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে এ অনুমোদন প্রদান করা হয়।
উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-কে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের অনুভূতি বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভাবে সামান্য অসুস্থতার ক্ষেত্রেও সিলেট শহরে যেতে হতো। এতে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হওয়ায় বিশেষ করে দরিদ্র ও দিনমজুর পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়ত।
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া বলেন, “২০১৮ সাল থেকে আমরা এই হাসপাতাল উন্নীতকরণের জন্য কাজ করছি। এটি ওসমানীনগরবাসীর প্রাণের দাবি ছিল। আজ সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে দেখে আমরা আনন্দিত।”
তিনি আরও বলেন, পূর্বে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ভবন নির্মাণ ও জনবল নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছিল, এখন তা বাস্তব রূপ পাচ্ছে।
গোয়ালাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ঘরের কাছে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা বৃদ্ধ ছমেদ মিয়া বলেন, “অসুস্থ হলে রাতেও সিলেট যেতে হতো। এখন যদি আমাদের এলাকায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা পাওয়া যায়, তাহলে গরিব মানুষের বড় উপকার হবে।”
নারী রোগী তাজিরুন বেগম বলেন, মহিলাদের জন্য সিলেট যাতায়াত অনেক কষ্টের ছিল। এখন ঘরের কাছে সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা শুনে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, পর্যায়ক্রমে জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংযোজনের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ইনডোর সেবা চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
ওসমানীনগরবাসীর প্রত্যাশা, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে হাসপাতালটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে এবং স্থানীয় মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবে।