Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৩ মে ২০২৬ · ১২:৪২ অপরাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে কাদায় ডুবে দলইরগাঁও-পুটামারা সড়ক, বিচ্ছিন্ন ১২ গ্রামের মানুষ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

স্টাফ রিপোর্টার।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর তেলীখাল ইউনিয়নের দলইরগাঁও-পুটামারা সড়কের বেহাল অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় হাওরবেষ্টিত এলাকার সাড়ে ৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা, ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরাও।


জানা গেছে, এটেল মাটি দিয়ে তৈরি সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা জমে যায়। তখন যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।


এই সড়ক ব্যবহার করে পুটামারা, টাইয়া পাগলা, বাকেরগাঁও, যুগীরগাঁও, বিলাজুর ডাকাতির বাড়িসহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। কয়েকশ শিক্ষার্থী দলইরগাঁও হাইস্কুল, দলইরগাঁও টাইটেল মাদ্রাসা ও দলইরগাঁও কমিউনিটি ক্লিনিকে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু বর্ষাকালে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হয়।


স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা সিলেট শহরে নেওয়াও তখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে জরুরি রোগীরা ঝুঁকিতে পড়েন।


এদিকে, এই সড়কের বিটরবাড়ী খালের ওপর একটি সেতুর প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে।


এলাকার কৃষকদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কারণ, কোম্পানীগঞ্জের বৃহত্তম পাতাইর হাওরের বোরো ধান এই সড়ক দিয়েই ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হয়। রাস্তা খারাপ থাকায় কৃষকরা সময়মতো ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না।


ডাকাতির বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বলেন, “সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। চলাচলে অনেক কষ্ট হয়। প্রসূতি রোগীকে সময়মতো ডাক্তারের কাছে নিতে পারি না। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।”


স্থানীয় দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদ বলেন, “রাস্তাটি উপজেলা এলজিইডির অধীন। এটি মেরামত ও পাকাকরণের জন্য কয়েক কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কিছু অংশ পাকা ও সেতুর আংশিক কাজ হলেও জুলাই অভ্যুত্থানের পর অজ্ঞাত কারণে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।”


কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ খান রাবি বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির খারাপ অবস্থার কারণে মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”


স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও সেতুর কাজ শেষ করা হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং কোম্পানীগঞ্জের সঙ্গে ছাতকের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।

স্টাফ রিপোর্টার।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর তেলীখাল ইউনিয়নের দলইরগাঁও-পুটামারা সড়কের বেহাল অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় হাওরবেষ্টিত এলাকার সাড়ে ৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা, ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরাও।


জানা গেছে, এটেল মাটি দিয়ে তৈরি সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা জমে যায়। তখন যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।


এই সড়ক ব্যবহার করে পুটামারা, টাইয়া পাগলা, বাকেরগাঁও, যুগীরগাঁও, বিলাজুর ডাকাতির বাড়িসহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। কয়েকশ শিক্ষার্থী দলইরগাঁও হাইস্কুল, দলইরগাঁও টাইটেল মাদ্রাসা ও দলইরগাঁও কমিউনিটি ক্লিনিকে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু বর্ষাকালে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হয়।


স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা সিলেট শহরে নেওয়াও তখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে জরুরি রোগীরা ঝুঁকিতে পড়েন।


এদিকে, এই সড়কের বিটরবাড়ী খালের ওপর একটি সেতুর প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে।


এলাকার কৃষকদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কারণ, কোম্পানীগঞ্জের বৃহত্তম পাতাইর হাওরের বোরো ধান এই সড়ক দিয়েই ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করা হয়। রাস্তা খারাপ থাকায় কৃষকরা সময়মতো ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না।


ডাকাতির বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বলেন, “সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। চলাচলে অনেক কষ্ট হয়। প্রসূতি রোগীকে সময়মতো ডাক্তারের কাছে নিতে পারি না। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।”


স্থানীয় দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদ বলেন, “রাস্তাটি উপজেলা এলজিইডির অধীন। এটি মেরামত ও পাকাকরণের জন্য কয়েক কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কিছু অংশ পাকা ও সেতুর আংশিক কাজ হলেও জুলাই অভ্যুত্থানের পর অজ্ঞাত কারণে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।”


কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ খান রাবি বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির খারাপ অবস্থার কারণে মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”


স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও সেতুর কাজ শেষ করা হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং কোম্পানীগঞ্জের সঙ্গে ছাতকের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com