সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেন।
কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত ১০ মার্চ ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মসজিদ মার্কেটের ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে তিন দিনের মধ্যে দোকান খালি করার নোটিশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টে রিট করলে ১২ মার্চ আদালত দুই মাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে পৃথক আরও দুটি রিটের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ নোটিশের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই আদেশ উপেক্ষা করে গত ২৬ মার্চ রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দোকানগুলো তালাবদ্ধ ও সিলগালা করা হয়।
এ ঘটনায় দোকান মালিকরা ১ এপ্রিল আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ প্রদান করেন। পরে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা পুনরায় আবেদন করেন।
সোমবার শুনানিতে আদালত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দা পারভীন এবং এনডিসি কিশোর কুমার পাল-কে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বলেন, আদালতের পূর্বের আদেশ অমান্য করে দোকান বন্ধ করায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং দোকান পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন।
সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেন।
কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত ১০ মার্চ ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মসজিদ মার্কেটের ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে তিন দিনের মধ্যে দোকান খালি করার নোটিশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টে রিট করলে ১২ মার্চ আদালত দুই মাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে পৃথক আরও দুটি রিটের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ নোটিশের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই আদেশ উপেক্ষা করে গত ২৬ মার্চ রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দোকানগুলো তালাবদ্ধ ও সিলগালা করা হয়।
এ ঘটনায় দোকান মালিকরা ১ এপ্রিল আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ প্রদান করেন। পরে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা পুনরায় আবেদন করেন।
সোমবার শুনানিতে আদালত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দা পারভীন এবং এনডিসি কিশোর কুমার পাল-কে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বলেন, আদালতের পূর্বের আদেশ অমান্য করে দোকান বন্ধ করায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং দোকান পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন।