স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দরবেশপুর খাল খনন উপপ্রকল্পের নকশা পর্যালোচনা ও পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৬ এপ্রিল রবিবার দুপুর ২টায় জলবায়ু পরিবর্তন পাঁচ মৌজা সমবায় সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ কাবিল হোসেন, কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. মোঃ ওমর ফারুক, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সালেহ ইসলাম, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সাইফ আনাম ও ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বদরূজ্জামান।
এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন পাঁচ মৌজা সমবায় সমিতির অন্যতম নেতা আব্দুল বাহার, এম. মুজিবুর রহমান, ফখরুল ইসলাম জুয়েল, অজয় সূত্রধর, এলাইছ মিয়া, জুনেদুর রহমান রনি, রুপন মিয়া, স্বপন সূত্রধর, সুধাংশু সূত্রধর, আনোয়ার মিয়া, আব্দুল কাইয়ুম, মোঃ সোমায়েল মিয়া, রানু সরকার, লিলি আক্তার ডলি, সিপন রানী সূত্রধর, তাহেরা বেগম, অর্চনা রানী সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই খালটির পুনর্জাগরণ হলে শুধু পানি প্রবাহই ফিরবে না, বরং তৈরি হবে জলবায়ু সহনশীল পরিবেশ, উন্নত হবে কৃষিজ উৎপাদন, বাড়বে জীববৈচিত্র্য এবং টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলজিইডির ইতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়ায় প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সারা দেশে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে নবীগঞ্জের দীঘলবাক ইউনিয়নের দরবেশপুর, দাউদপুর, বোয়ালজুর, কারখানা ও বহরমপুর—এই পাঁচ মৌজার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রাচীন হাকানী খাল পুনঃখনন এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের কয়েকটি ইউনিয়নের কয়েক সহস্রাধিক পরিবারের মানুষের জীবনমান ও ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে।