তিনি সু-সন্তান গঠনের জন্য অভিভাবকদের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রথমত, সন্তানকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা অভিভাবকের মৌলিক দায়িত্ব এবং এ ক্ষেত্রে রাগ বা চিৎকার না করে ধৈর্যশীল আচরণ করা জরুরি। দ্বিতীয়ত, ছোটবেলা থেকেই সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয়। তৃতীয়ত, সন্তানের প্রতি যথাযথ যত্ন নেওয়া, তার সক্ষমতাকে উৎসাহ দেওয়া এবং ধীরে ধীরে তাকে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
চতুর্থত, সন্তানের ভুল হলে শান্তভাবে বুঝিয়ে দেওয়া এবং ভালো কাজের জন্য প্রশংসা ও উৎসাহ প্রদান করা উচিত। পঞ্চমত, সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তার শিশুসুলভ আচরণকে অবহেলা না করা আত্মবিশ্বাস গঠনে সহায়তা করে।
ষষ্ঠত, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা শেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তমত, সন্তানকে কখনো অন্যের সামনে অপমান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে তার আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অষ্টমত, সন্তানের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা এবং তাকে স্নেহে আগলে রাখা মানসিক বিকাশে সহায়ক। নবমত, অভিভাবকদের নিজেদের শৈশবের অভিজ্ঞতা সন্তানদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দশমত, সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটানো, কথা বলা, খেলা করা এবং তার পছন্দ-অপছন্দ জানা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী আরও বলেন, এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করলে সন্তানের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সিলেটের দরিয়া শাহ (রহ.) মাজার জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি সু-সন্তান গঠনের জন্য অভিভাবকদের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রথমত, সন্তানকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা অভিভাবকের মৌলিক দায়িত্ব এবং এ ক্ষেত্রে রাগ বা চিৎকার না করে ধৈর্যশীল আচরণ করা জরুরি। দ্বিতীয়ত, ছোটবেলা থেকেই সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয়। তৃতীয়ত, সন্তানের প্রতি যথাযথ যত্ন নেওয়া, তার সক্ষমতাকে উৎসাহ দেওয়া এবং ধীরে ধীরে তাকে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
চতুর্থত, সন্তানের ভুল হলে শান্তভাবে বুঝিয়ে দেওয়া এবং ভালো কাজের জন্য প্রশংসা ও উৎসাহ প্রদান করা উচিত। পঞ্চমত, সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তার শিশুসুলভ আচরণকে অবহেলা না করা আত্মবিশ্বাস গঠনে সহায়তা করে।
ষষ্ঠত, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা শেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তমত, সন্তানকে কখনো অন্যের সামনে অপমান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে তার আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অষ্টমত, সন্তানের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা এবং তাকে স্নেহে আগলে রাখা মানসিক বিকাশে সহায়ক। নবমত, অভিভাবকদের নিজেদের শৈশবের অভিজ্ঞতা সন্তানদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দশমত, সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটানো, কথা বলা, খেলা করা এবং তার পছন্দ-অপছন্দ জানা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী আরও বলেন, এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করলে সন্তানের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সিলেটের দরিয়া শাহ (রহ.) মাজার জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।