মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় মাঠজুড়ে পাকা ধান দাঁড়িয়ে থাকলেও তীব্র শ্রমিক সংকট ও হারভেস্টার মেশিনের অভাবে তা কাটতে পারছেন না কৃষকরা। অতিরিক্ত মজুরি প্রস্তাব করেও শ্রমিক না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।
কৃষকদের অভিযোগ, চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি প্রস্তাব দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সময়মতো ধান কাটতে না পারার শঙ্কা বাড়ছে। মাঠে পড়ে থাকা পাকা ধান ঝড়-বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, “আমরা ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি দিতেও রাজি, তবুও শ্রমিক পাচ্ছি না। ধান পেকে গেছে, এখন কাটতে না পারলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।”
এদিকে হারভেস্টার মেশিনের সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চাহিদা বেশি থাকায় অনেক এলাকায় হারভেস্টার পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও ভাড়া এত বেশি যে তা বহন করা কৃষকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসন দ্রুত পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আশয়াদ বিন রাহাত বলেন, “কম্বাইন হারভেস্টারের জন্য তিনটি ডিজেল পয়েন্ট থেকে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
বর্তমান পরিস্থিতিতে উপজেলার হাজারো কৃষকের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সময়মতো ধান কাটতে না পারলে এ মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন তারা।
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় মাঠজুড়ে পাকা ধান দাঁড়িয়ে থাকলেও তীব্র শ্রমিক সংকট ও হারভেস্টার মেশিনের অভাবে তা কাটতে পারছেন না কৃষকরা। অতিরিক্ত মজুরি প্রস্তাব করেও শ্রমিক না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।
কৃষকদের অভিযোগ, চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি প্রস্তাব দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সময়মতো ধান কাটতে না পারার শঙ্কা বাড়ছে। মাঠে পড়ে থাকা পাকা ধান ঝড়-বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, “আমরা ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি দিতেও রাজি, তবুও শ্রমিক পাচ্ছি না। ধান পেকে গেছে, এখন কাটতে না পারলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।”
এদিকে হারভেস্টার মেশিনের সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চাহিদা বেশি থাকায় অনেক এলাকায় হারভেস্টার পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও ভাড়া এত বেশি যে তা বহন করা কৃষকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসন দ্রুত পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আশয়াদ বিন রাহাত বলেন, “কম্বাইন হারভেস্টারের জন্য তিনটি ডিজেল পয়েন্ট থেকে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
বর্তমান পরিস্থিতিতে উপজেলার হাজারো কৃষকের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সময়মতো ধান কাটতে না পারলে এ মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন তারা।