হাম ও রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফল করার লক্ষ্যে সিলেটে বিভাগীয় পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সংক্রামক রোগ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য খাতে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে ভুল তথ্য ও গুজবের কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে, যা প্রতিরোধে সঠিক তথ্য প্রচার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত উদ্যোগে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সভায় জানানো হয়, সিলেট বিভাগে মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৬৯ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৪ জন (সিটি করপোরেশনসহ ৬৮ হাজার ৫৮০), মৌলভীবাজারে ২ লাখ ১০ হাজার ১৮৬, হবিগঞ্জে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪১ এবং সুনামগঞ্জে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৮ জন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সকল উপজেলা ও জেলা সদর হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এছাড়া সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ শয্যার পিআইসিইউ চালু রয়েছে।
সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রানী দাস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী সুফী মো. খালেদ বিন লংফুর।
সভায় বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাম ও রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফল করার লক্ষ্যে সিলেটে বিভাগীয় পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সংক্রামক রোগ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য খাতে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে ভুল তথ্য ও গুজবের কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে, যা প্রতিরোধে সঠিক তথ্য প্রচার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত উদ্যোগে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সভায় জানানো হয়, সিলেট বিভাগে মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৬৯ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৪ জন (সিটি করপোরেশনসহ ৬৮ হাজার ৫৮০), মৌলভীবাজারে ২ লাখ ১০ হাজার ১৮৬, হবিগঞ্জে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪১ এবং সুনামগঞ্জে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৮ জন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সকল উপজেলা ও জেলা সদর হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এছাড়া সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ শয্যার পিআইসিইউ চালু রয়েছে।
সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রানী দাস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী সুফী মো. খালেদ বিন লংফুর।
সভায় বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।