Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৯ এপ্রিল ২০২৬ · ১১:২৭ অপরাহ্ন

পৌরসভা আইন সংশোধন: বিশেষ পরিস্থিতিতে জনপ্রতিনিধি অপসারণ ও প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা পেল সরকার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ সংশোধন করে নতুন আইন জারি | মেয়র-কাউন্সিলর অপসারণ ও প্রশাসক নিয়োগে সরকারের ক্ষমতা বাড়লো
ছবি

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ সংশোধন করে “স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন, ২০২৬” জারি করেছে সরকার। ১০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশ করা হয় এবং অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।


নতুন আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা জনস্বার্থে কোনো পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলরকে অপসারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।


আইন অনুযায়ী, সরকার চাইলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত উপযুক্ত কোনো কর্মকর্তা বা অন্য উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। প্রয়োজনে প্রশাসককে সহায়তা করার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা যাবে। প্রশাসক ও কমিটির সদস্যরা মেয়র ও কাউন্সিলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।


সংশোধিত আইনে ২০০৯ সালের মূল আইনের একাধিক ধারা বিলুপ্ত ও সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধারা ২-এর কিছু দফা, ধারা ২০ক এবং ধারা ২১-এর নির্দিষ্ট অংশ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুনভাবে ধারা ৩২ক ও ৪২ক সংযোজন করা হয়েছে।


নতুন বিধান অনুযায়ী, পূর্বে জারি হওয়া ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ দুটি রহিত করা হয়েছে। তবে ওই অধ্যাদেশগুলোর অধীনে গৃহীত সব কার্যক্রম বৈধ হিসেবে গণ্য হবে।


বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত এ আইনকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ সংশোধন করে “স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন, ২০২৬” জারি করেছে সরকার। ১০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশ করা হয় এবং অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।


নতুন আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা জনস্বার্থে কোনো পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলরকে অপসারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।


আইন অনুযায়ী, সরকার চাইলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত উপযুক্ত কোনো কর্মকর্তা বা অন্য উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। প্রয়োজনে প্রশাসককে সহায়তা করার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা যাবে। প্রশাসক ও কমিটির সদস্যরা মেয়র ও কাউন্সিলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।


সংশোধিত আইনে ২০০৯ সালের মূল আইনের একাধিক ধারা বিলুপ্ত ও সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধারা ২-এর কিছু দফা, ধারা ২০ক এবং ধারা ২১-এর নির্দিষ্ট অংশ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুনভাবে ধারা ৩২ক ও ৪২ক সংযোজন করা হয়েছে।


নতুন বিধান অনুযায়ী, পূর্বে জারি হওয়া ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ দুটি রহিত করা হয়েছে। তবে ওই অধ্যাদেশগুলোর অধীনে গৃহীত সব কার্যক্রম বৈধ হিসেবে গণ্য হবে।


বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত এ আইনকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com