সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি অভিযানে চোরাইকৃত একটি মোটরসাইকেলসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৬/০৪/২০২৬ খ্রি. বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ৬নং লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের বাগরখলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ডিবি পুলিশ দক্ষিণ সুরমার বাগরখলায় নিজাম উদ্দিন হাফিজের বসতবাড়ির উঠানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় মোঃ মাহফুজুল হাসান (২১), পিতা- নিজাম উদ্দিন হাফিজ, মাতা- শিল্পী বেগম, সাং- বাগরখলা, পোঃ- ০৬নং লালাবাজার ইউ/পি, থানা- দক্ষিণ সুরমা, জেলা- সিলেটকে আটক করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি চোরাইকৃত কালো রঙের রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যার গায়ে ইংরেজিতে “YAMAHA R15” (মডেল নং-V3) লেখা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটির ইঞ্জিন নম্বর অস্পষ্ট এবং চেসিস নম্বর ME1R65214J0005232 (অস্পষ্ট) বলে জানা যায়। মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ) টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তি মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং পরবর্তীতে স্বীকার করেন যে, পলাতক আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১/২ জনের সহায়তায় তিনি চোরাইকৃত মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে অভ্যাসগতভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন।
ঘটনার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা নং-১৭/৮০, তারিখ-১৭/০৪/২০২৬ খ্রি., ধারা-৪১৩/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি অভিযানে চোরাইকৃত একটি মোটরসাইকেলসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৬/০৪/২০২৬ খ্রি. বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ৬নং লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের বাগরখলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ডিবি পুলিশ দক্ষিণ সুরমার বাগরখলায় নিজাম উদ্দিন হাফিজের বসতবাড়ির উঠানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় মোঃ মাহফুজুল হাসান (২১), পিতা- নিজাম উদ্দিন হাফিজ, মাতা- শিল্পী বেগম, সাং- বাগরখলা, পোঃ- ০৬নং লালাবাজার ইউ/পি, থানা- দক্ষিণ সুরমা, জেলা- সিলেটকে আটক করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি চোরাইকৃত কালো রঙের রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যার গায়ে ইংরেজিতে “YAMAHA R15” (মডেল নং-V3) লেখা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটির ইঞ্জিন নম্বর অস্পষ্ট এবং চেসিস নম্বর ME1R65214J0005232 (অস্পষ্ট) বলে জানা যায়। মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ) টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তি মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং পরবর্তীতে স্বীকার করেন যে, পলাতক আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১/২ জনের সহায়তায় তিনি চোরাইকৃত মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে অভ্যাসগতভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন।
ঘটনার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা নং-১৭/৮০, তারিখ-১৭/০৪/২০২৬ খ্রি., ধারা-৪১৩/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।