সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ‘হায়েনা সদৃশ’ এক বন্যপ্রাণী দেখা গেছে—এমন গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি হায়েনা নয়, সম্ভবত শিয়াল, আর প্রচারিত ছবিটি এআই-জেনারেটেড হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দলইরগাঁও এলাকায় প্রথমে ‘বাঘ দেখা গেছে’—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন মঙ্গলবার রাতে দলইরগাঁও বাজারের এক ব্যবসায়ীর ফেসবুক পোস্টে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে প্রাণীটিকে হায়েনা বলে দাবি করা হয়। এরপর থেকেই উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার রাতে বর্ণি এলাকায়ও একই ধরনের প্রাণী দেখা গেছে বলে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি আরও বাড়ে। বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই অনেকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না।
স্থানীয় এক শিক্ষার্থী মুন্নি ও মীম বলেন, “মাদ্রাসায় যেতে ভয় লাগে। কখন যে আক্রমণ করে বসে।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম তালহা দাবি করেন, “হায়েনার হামলায় একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও একজন নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন।” তবে এ তথ্যের স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি করা প্রাণীটি হায়েনা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সিলেট ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জের রেঞ্জার শহিদুল্লাহ বলেন, “এ অঞ্চলে হায়েনা নেই। ছবিটি দেখে মনে হয়েছে এটি শিয়াল হতে পারে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজন চন্দ্র কর্মকার জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে। তবে এটি সত্য না গুজব—এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা দেখেছি এটি শিয়াল। বাংলাদেশে হায়েনা নেই। গত একশ বছরে এ দেশে হায়েনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলেও ধারণা করা হচ্ছে।”
বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক থাকলেও কর্তৃপক্ষ গুজবে কান না দেওয়ার এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ‘হায়েনা সদৃশ’ এক বন্যপ্রাণী দেখা গেছে—এমন গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি হায়েনা নয়, সম্ভবত শিয়াল, আর প্রচারিত ছবিটি এআই-জেনারেটেড হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দলইরগাঁও এলাকায় প্রথমে ‘বাঘ দেখা গেছে’—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন মঙ্গলবার রাতে দলইরগাঁও বাজারের এক ব্যবসায়ীর ফেসবুক পোস্টে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে প্রাণীটিকে হায়েনা বলে দাবি করা হয়। এরপর থেকেই উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার রাতে বর্ণি এলাকায়ও একই ধরনের প্রাণী দেখা গেছে বলে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি আরও বাড়ে। বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই অনেকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না।
স্থানীয় এক শিক্ষার্থী মুন্নি ও মীম বলেন, “মাদ্রাসায় যেতে ভয় লাগে। কখন যে আক্রমণ করে বসে।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম তালহা দাবি করেন, “হায়েনার হামলায় একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও একজন নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন।” তবে এ তথ্যের স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি করা প্রাণীটি হায়েনা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সিলেট ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জের রেঞ্জার শহিদুল্লাহ বলেন, “এ অঞ্চলে হায়েনা নেই। ছবিটি দেখে মনে হয়েছে এটি শিয়াল হতে পারে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজন চন্দ্র কর্মকার জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে। তবে এটি সত্য না গুজব—এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা দেখেছি এটি শিয়াল। বাংলাদেশে হায়েনা নেই। গত একশ বছরে এ দেশে হায়েনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলেও ধারণা করা হচ্ছে।”
বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক থাকলেও কর্তৃপক্ষ গুজবে কান না দেওয়ার এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।