মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, জুড়ীকে আধুনিক কৃষি হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, জুড়ী অঞ্চলের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এখানে লাউ, তরমুজ, লেবু, কলাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান, সয়েল টেস্টের মাধ্যমে উপযোগী ফসল চাষে দিকনির্দেশনা এবং প্রয়োজনে ভর্তুকি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি জানান, জুড়ীকে কেন্দ্র করে একটি “কৃষকের হাট” প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্যের বিপণন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির চাহিদার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জুড়ীতে একটি আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানে কৃষি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ইংরেজি, জাপানি ও অন্যান্য ভাষা শিক্ষার সুযোগ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে জুড়ীর কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন আহমেদ, মো. শওকতুল ইসলাম, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ুন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক, উপকারভোগী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, জুড়ীকে আধুনিক কৃষি হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, জুড়ী অঞ্চলের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এখানে লাউ, তরমুজ, লেবু, কলাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান, সয়েল টেস্টের মাধ্যমে উপযোগী ফসল চাষে দিকনির্দেশনা এবং প্রয়োজনে ভর্তুকি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি জানান, জুড়ীকে কেন্দ্র করে একটি “কৃষকের হাট” প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্যের বিপণন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির চাহিদার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জুড়ীতে একটি আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানে কৃষি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ইংরেজি, জাপানি ও অন্যান্য ভাষা শিক্ষার সুযোগ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে জুড়ীর কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন আহমেদ, মো. শওকতুল ইসলাম, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ুন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক, উপকারভোগী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।