Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
channeljaintanews24.com
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ | ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
channeljaintanews24@gmail.com

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
🕒 মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ | ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

ঢাকা | সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে একটি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় রূপ দিতে চীনের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকা সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen) সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এই আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন। তিন সদস্যের চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

প্রযুক্তি ও সামাজিক সুরক্ষা:

বৈঠকে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, "উন্নয়ন সহযোগিতা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক সম্মানের দিক থেকে চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু। বিশেষ করে স্মার্ট কার্ড প্রযুক্তিতে চীন বিশ্বের অন্যতম সফল দেশ।" তিনি ফ্যামিলি কার্ডকে একটি ডেটাবেজ ভিত্তিক ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে পরিবারকেন্দ্রিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। এই কর্মসূচিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।

দক্ষ জনসম্পদ ও কর্মসংস্থান:

মন্ত্রী দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে, বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর মাধ্যমে দেশকে সামাজিকভাবে আরও সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে।

চীনের প্রশংসা ও প্রতিশ্রুতি:

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এটি ইতোমধ্যে নিম্নআয়ের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি বলেন, "অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা খাতেও চীন বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে ইচ্ছুক।"

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, চীন বাংলাদেশের স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে এ দেশের জনগণ টেকসই স্বনির্ভরতা অর্জন করতে পারে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, চীনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও জনকল্যাণে ব্যবহার করতে তারা ফলপ্রসূ অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।

উপসংহার:

বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আলোচনার শেষে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অধিকতর শক্তিশালী করার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও গভীর করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি
channeljaintanews24.com
logo
ভিজিট করুন
৩১.০৩.২০২৬
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
channeljaintanews24.com