সিলেটে বসবাসরত মৌলভীবাজার সমিতি, সিলেট এর ব্যবস্থাপনায় মৌলভীবাজার সমিতি শিক্ষা ট্রাস্টের উদ্যোগে এইচএসসি উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর জেলরোডস্থ একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মৌলভীবাজার সমিতি, শিক্ষা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক নন্দলাল শর্মার সভাপতিত্বে এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাবি প্রবির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক আহমদ মাহবুব ফেরদৌসের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজার সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মৃগেন কুমার দাস চৌধুরী, শিক্ষা ট্রাস্টের সদস্য উপাচার্য্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, মুহিবুর রহমান, সমিতির উপদেষ্টা জামিল আহমদ চৌধুরী, এম এ গণি, হাজী এম এ মতিন, ডা. মামুন পারভেজ, মো. জসীম উদ্দিন, প্রফেসর ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. রুস্তুম খান, সমিতির সহ সভাপতি এডভোকেট বদরুল আহমদ চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, সমিতির জয়েন্ট সেক্রেটারী মফিক মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুর রব জগলু, প্রচার সম্পাদক আবুল কাশেম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রহিমা পারভীন লিলি, শিক্ষা সম্পাদক এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. ফজলুল হক সোহেল, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হাবীব আল নূর, মো. আব্দুল ওয়াহিদ প্রমুখ।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ফাইয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, তাছমিয়া আহমেদ জোনাকি। অনুষ্ঠানে শুরুতে পবিত্র কোরাআন থেকে তেলাওয়াত করেন এ কে এম ওয়াহিদুর রব জগলু।

বক্তারা বলেন, শিক্ষা হলো মানুষের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্পদ, যা কেবল সনদ অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং চরিত্র গঠন, নৈতিকতা বিকাশ এবং সমাজকে আলোকিত করার শক্তি বহন করে। মৌলভীবাজার সমিতি শিক্ষা ট্রাস্ট যেভাবে শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতাকে স্বীকৃতি দিয়ে এগিয়ে যেতে উৎসাহ যোগাচ্ছে, তা দেশের জন্য এক অনুকরণীয় উদ্যোগ। তারা বলেন, মৌলভীবাজারের সন্তানরা সবসময়ই শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পেশাগত জীবনে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। আজকের এই সংবর্ধনা তাদের আরও দায়িত্বশীল, আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। বক্তারা আরও বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীই একটি সম্ভাবনা, আর সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পরিবার, শিক্ষক, সমাজ ও সংগঠনের যৌথ সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। মেধাবীদের উৎসাহ দিলে শুধু একজন শিক্ষার্থী নয়, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি জাতিও এগিয়ে যায়। তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধুমাত্র বইয়ের জ্ঞান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানবিক মূল্যবোধ, সততা, সৃজনশীলতা এবং দেশপ্রেম। আজ যে শিক্ষার্থীরা সম্মাননা পাচ্ছে, তারা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে, বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। বিজ্ঞপ্তি