ঢাকা: পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে সরকার। নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় দেশের সব জেলা প্রশাসককে ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ১১ ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালা এবং পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এ ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালাসংক্রান্ত স্মারক এবং ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণসংক্রান্ত স্মারকের আওতায় পরিচালিত কার্যক্রমও স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং ইউনিয়নের সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়ানো এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।
এ নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবগতির জন্য নির্দেশনার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
ঢাকা: পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে সরকার। নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় দেশের সব জেলা প্রশাসককে ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ১১ ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালা এবং পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এ ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তকরণের নীতিমালাসংক্রান্ত স্মারক এবং ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জারি করা ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণসংক্রান্ত স্মারকের আওতায় পরিচালিত কার্যক্রমও স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং ইউনিয়নের সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়ানো এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।
এ নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবগতির জন্য নির্দেশনার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।