ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন ও প্রায় ৬০ লাখ টাকার আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন ও অর্থের হিসাব নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেন এলাকাবাসী। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি গত ১১ অক্টোবর লিখিত জবাব দেন। এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর গঠিত তদন্ত কমিটিতে তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য হিসেবে রাখা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিদ্যালয়ে ২০ জন আজীবন দাতা সদস্য মনোনয়নের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানের তহবিলে অর্থ জমা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাঁদের আরও অভিযোগ, তদন্ত চলাকালে আজীবন দাতা সদস্যদের তালিকা সরিয়ে শুধু দাতা সদস্যদের তালিকা প্রদর্শন করা হয়েছে। এ ছাড়া গত ৮ অক্টোবর পাল্টা অভিযোগ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধ আরও জটিল হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে স্থানীয় ও প্রবাসীদের উদ্যোগে মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা, কমিটি গঠন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামছুল ইসলাম শামীম অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের অর্থের হিসাব জানতে চাওয়ায় তাঁরা হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি আইনি প্রতিকার নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেব বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন করা হবে। তালিকা কে সরিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলেও জানান।
তদন্ত কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, গত ১০ অক্টোবর বিদ্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদিউজ্জামান আহমদ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের অর্থের হিসাব, দাতা সদস্য নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন ও প্রায় ৬০ লাখ টাকার আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন ও অর্থের হিসাব নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেন এলাকাবাসী। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি গত ১১ অক্টোবর লিখিত জবাব দেন। এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর গঠিত তদন্ত কমিটিতে তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য হিসেবে রাখা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিদ্যালয়ে ২০ জন আজীবন দাতা সদস্য মনোনয়নের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানের তহবিলে অর্থ জমা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাঁদের আরও অভিযোগ, তদন্ত চলাকালে আজীবন দাতা সদস্যদের তালিকা সরিয়ে শুধু দাতা সদস্যদের তালিকা প্রদর্শন করা হয়েছে। এ ছাড়া গত ৮ অক্টোবর পাল্টা অভিযোগ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধ আরও জটিল হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে স্থানীয় ও প্রবাসীদের উদ্যোগে মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা, কমিটি গঠন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামছুল ইসলাম শামীম অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের অর্থের হিসাব জানতে চাওয়ায় তাঁরা হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি আইনি প্রতিকার নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেব বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন করা হবে। তালিকা কে সরিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলেও জানান।
তদন্ত কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, গত ১০ অক্টোবর বিদ্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদিউজ্জামান আহমদ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের অর্থের হিসাব, দাতা সদস্য নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।