Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২২ অক্টোবর ২০২৬ · ১১:৫৪ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাটে নিহত যুবদল নেতা বদরুলের বাড়িতে মন্ত্রী আরিফুল হক, দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ আসামিদের গ্রেপ্তার ও অভিযোগপত্রে কোনো ফাঁকফোকর না রাখার নির্দেশ
ছবি

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :


সিলেটের গোয়াইনঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত যুবদল নেতা বদরুল আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাঁকফোকর না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে গোয়াইনঘাটে নিহত বদরুল আলমের বাড়িতে যান মন্ত্রী। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সান্ত্বনা দেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।


এ সময় মন্ত্রী হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কেউ যেন আইনের আওতা থেকে রেহাই না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে।


মন্ত্রী আরও বলেন, মামলার তদন্ত থেকে শুরু করে অভিযোগপত্র দাখিল পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের ফাঁকফোকর না থাকে এবং অপরাধীরা আইনের সুযোগ নিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে।


তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিতে হবে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করতে হবে, যাতে প্রকৃত অপরাধীরা দায় এড়ানোর সুযোগ না পায়। একই সঙ্গে তদন্তের প্রতিটি ধাপে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পায় এবং অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী, গোয়াইনঘাট-কোম্পানীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন, ১ নম্বর রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন শিহাব, রুস্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউনুছ আলী, সহসভাপতি আব্দুল গনি ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।


নিহত বদরুল আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।


এদিকে, যুবদল নেতা বদরুল আলমের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :


সিলেটের গোয়াইনঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত যুবদল নেতা বদরুল আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাঁকফোকর না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে গোয়াইনঘাটে নিহত বদরুল আলমের বাড়িতে যান মন্ত্রী। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সান্ত্বনা দেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।


এ সময় মন্ত্রী হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কেউ যেন আইনের আওতা থেকে রেহাই না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে।


মন্ত্রী আরও বলেন, মামলার তদন্ত থেকে শুরু করে অভিযোগপত্র দাখিল পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের ফাঁকফোকর না থাকে এবং অপরাধীরা আইনের সুযোগ নিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে।


তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিতে হবে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করতে হবে, যাতে প্রকৃত অপরাধীরা দায় এড়ানোর সুযোগ না পায়। একই সঙ্গে তদন্তের প্রতিটি ধাপে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পায় এবং অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী, গোয়াইনঘাট-কোম্পানীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন, ১ নম্বর রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন শিহাব, রুস্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউনুছ আলী, সহসভাপতি আব্দুল গনি ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।


নিহত বদরুল আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।


এদিকে, যুবদল নেতা বদরুল আলমের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com