জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার উপজেলায় ৩৯টি মণ্ডপে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজয়া দশমীর সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বেজে ওঠে দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর। পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জগন্নাথ জিউড় আখড়া থেকে দুপুর ১২টায় কুশিয়ারা নদীর খেয়াঘাটে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নলজুর নদী, বরাঙ্গ নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়। এর মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের অসুরিক প্রবৃত্তি—কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসা বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এসব নেতিবাচক প্রবৃত্তি পরিহার করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তাই বহন করে এ উৎসব।
দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্যাপন সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পূজা আয়োজক কমিটির সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিদায় নেন দেবী দুর্গা। আগামী দিনের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার উপজেলায় ৩৯টি মণ্ডপে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজয়া দশমীর সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বেজে ওঠে দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর। পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জগন্নাথ জিউড় আখড়া থেকে দুপুর ১২টায় কুশিয়ারা নদীর খেয়াঘাটে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নলজুর নদী, বরাঙ্গ নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়। এর মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের অসুরিক প্রবৃত্তি—কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসা বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এসব নেতিবাচক প্রবৃত্তি পরিহার করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তাই বহন করে এ উৎসব।
দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্যাপন সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পূজা আয়োজক কমিটির সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিদায় নেন দেবী দুর্গা। আগামী দিনের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।