Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২১ অক্টোবর ২০২৬ · ১১:১৩ অপরাহ্ন

বড়লেখায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, ৬ জন গ্রেপ্তার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ স্বর্ণালংকারের ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি, নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ
ছবি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বসতঘরের জানালার সিটকিনি খুলে স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন চুরির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ। এ সময় চুরি যাওয়া ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি ওজনের স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখা থানাধীন দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন তাঁর বসতঘরে তালা লাগিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার ও কানের দুল এবং দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।


এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম, এসআই অলিয়ার রহমান, এএসআই নজরুল ইসলাম বাবু ও সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযান শুরু করে। ধারাবাহিক অভিযানে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন—বড়লেখার দোহালিয়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে জিল্লুর মিয়া (২৬), আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মনির হোসেন (৩৩) এবং পূর্ব দক্ষিণভাগ গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে আব্দুল আহাদ (৪৪)।


পরে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বড়লেখার দোহালিয়া গ্রামের ফয়জুর রহমানের ছেলে পারভেজ আহমদ (২৭) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


এরপর পারভেজ আহমদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর সহযোগী জুড়ী উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে সুমন আহমদকে (৩৮) জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


পরবর্তী সময়ে পারভেজ আহমদ ও সুমন আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিরপাড় এলাকার রহমান ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় পুষ্পা জুয়েলার্সের ১৩ নম্বর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সাইদুর রহমান (২৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সিলেটের জগন্নাথপুর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের মো. সমছু মিয়ার ছেলে। তাঁর বর্তমান ঠিকানা পুষ্পা জুয়েলার্স, রহমান ম্যানশন, লালদিঘিরপাড়, সিলেট।


পুলিশ জানায়, সাইদুর রহমানের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি।


বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের ২১ অক্টোবর বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বসতঘরের জানালার সিটকিনি খুলে স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন চুরির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ। এ সময় চুরি যাওয়া ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি ওজনের স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখা থানাধীন দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন তাঁর বসতঘরে তালা লাগিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার ও কানের দুল এবং দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।


এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম, এসআই অলিয়ার রহমান, এএসআই নজরুল ইসলাম বাবু ও সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযান শুরু করে। ধারাবাহিক অভিযানে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন—বড়লেখার দোহালিয়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে জিল্লুর মিয়া (২৬), আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মনির হোসেন (৩৩) এবং পূর্ব দক্ষিণভাগ গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে আব্দুল আহাদ (৪৪)।


পরে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বড়লেখার দোহালিয়া গ্রামের ফয়জুর রহমানের ছেলে পারভেজ আহমদ (২৭) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


এরপর পারভেজ আহমদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর সহযোগী জুড়ী উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে সুমন আহমদকে (৩৮) জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


পরবর্তী সময়ে পারভেজ আহমদ ও সুমন আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিরপাড় এলাকার রহমান ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় পুষ্পা জুয়েলার্সের ১৩ নম্বর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সাইদুর রহমান (২৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সিলেটের জগন্নাথপুর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের মো. সমছু মিয়ার ছেলে। তাঁর বর্তমান ঠিকানা পুষ্পা জুয়েলার্স, রহমান ম্যানশন, লালদিঘিরপাড়, সিলেট।


পুলিশ জানায়, সাইদুর রহমানের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি।


বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের ২১ অক্টোবর বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com