Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
channeljaintanews24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০১:১৭ অপরাহ্ন
channeljaintanews24@gmail.com

ইউকে ওয়ার্ক পারমিটের নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ, সিলেটের ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’-এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

✍ চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
🕒 বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০১:১৭ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:


যুক্তরাজ্যে (ইউকে) ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক নারীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেট নগরের জিন্দাবাজার কাকলী শপিং মলে অবস্থিত ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’ নামের একটি ভিসা প্রসেসিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাওনা টাকা ফেরত ও আইনগত প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।


অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট হিসেবে মো. মুক্তার হোসাইন ও ইমন আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যুক্তরাজ্যে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর তিনি জিন্দাবাজারের ওই প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করেন। সেখানে আলোচনার পর তাঁকে ইউকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য মোট ১৭ হাজার ৫০০ পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়।


অভিযোগে বলা হয়, প্রাথমিক প্রসেসিং ফি হিসেবে ওই দিন এক লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয় এবং উভয় পক্ষের মধ্যে লিখিত চুক্তি হয়। চুক্তিতে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে কিংবা বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রদত্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত ছিল।


পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর ভুক্তভোগীকে তাঁর ভিসার ‘কস’ (CoS—Certificate of Sponsorship) এসেছে বলে জানিয়ে দ্রুত অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধের জন্য বলা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের কথায় বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ধাপে ধাপে টাকা পরিশোধ করেন বলে দাবি করা হয়।


অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২০ মার্চ ভুক্তভোগীর ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর চুক্তির শর্ত অনুযায়ী টাকা ফেরত চাওয়া হলে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।


ভুক্তভোগীর দাবি, সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি টাকা ফেরতের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। একই সময়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের দিয়ে অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।


ভুক্তভোগী অভিযোগে বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে তাঁর সর্বস্ব নেওয়া হয়েছে। এতে তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।


অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।


তবে অভিযোগে অভিযুক্ত মো. মুক্তার হোসাইন ও ইমন আহমদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য স্বাধীনভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও এর সঙ্গে জড়িতদের দায় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

ছবি
channeljaintanews24.com
logo
ভিজিট করুন
০৮.১০.২০২৬
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
channeljaintanews24.com