Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৫:৩২ অপরাহ্ন

হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে: সিসিক প্রশাসক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সিলেট : হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে এবং দেশে বর্তমানে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তবে হৃদরোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট আয়োজিত আলোচনা সভা ও গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিতেও অংশ নেন সিসিক প্রশাসক।


আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হৃদরোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। বিশেষ করে হৃদরোগের কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।


তিনি বলেন, হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন গড়ে তুলতে হবে। শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। চিকিৎসকদেরও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।


সিসিক প্রশাসক ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট প্রতিষ্ঠায় জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। হৃদরোগের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটি সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।


তিনি আরও বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের জন্য ভূমি বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম. সাইফুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠার পথ সুগম হয়েছিল।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আমিনুর রহমান লস্কর।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আলতাফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শোয়েব আহমেদ মতিন, যুগ্ম সম্পাদক আবু তালেব মুরাদ, কার্যকরী কমিটির সদস্য ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, লিভার ফাউন্ডেশন সিলেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শওকতুর রহমান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সোশ্যাল সেক্রেটারি আব্দুল মালিক জাকা, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন সেক্রেটারি এস আই আজাদ আলী, হাসপাতালের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো. আব্দুল মুনিম চৌধুরী ও সহকারী পরিচালক ডা. আলা উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা।


বক্তারা হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে হৃদরোগীদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

সিলেট : হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে এবং দেশে বর্তমানে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তবে হৃদরোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট আয়োজিত আলোচনা সভা ও গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিতেও অংশ নেন সিসিক প্রশাসক।


আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হৃদরোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। বিশেষ করে হৃদরোগের কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।


তিনি বলেন, হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন গড়ে তুলতে হবে। শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। চিকিৎসকদেরও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।


সিসিক প্রশাসক ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট প্রতিষ্ঠায় জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। হৃদরোগের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটি সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।


তিনি আরও বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের জন্য ভূমি বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম. সাইফুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠার পথ সুগম হয়েছিল।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আমিনুর রহমান লস্কর।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আলতাফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শোয়েব আহমেদ মতিন, যুগ্ম সম্পাদক আবু তালেব মুরাদ, কার্যকরী কমিটির সদস্য ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, লিভার ফাউন্ডেশন সিলেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শওকতুর রহমান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সোশ্যাল সেক্রেটারি আব্দুল মালিক জাকা, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন সেক্রেটারি এস আই আজাদ আলী, হাসপাতালের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো. আব্দুল মুনিম চৌধুরী ও সহকারী পরিচালক ডা. আলা উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা।


বক্তারা হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে হৃদরোগীদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com