Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৫:২৫ অপরাহ্ন

শ্রাবণের পরিবারের দাবি: একপাক্ষিক বয়ান নয়, তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বের হোক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ শ্রাবণের পক্ষে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ছবি

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসননগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।


লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রধান সড়কে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং এতে শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে সেখানে জড়িয়ে পড়েছিল—এসব বিষয়ও তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার দাবি জানান তারা।


লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়।


সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, শ্রাবণের বাবা জুবাব আলী নতুন হাসননগর এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করেই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জুবাব আলীর সম্পৃক্ততার বিষয়টিও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।


পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্য তদন্তে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।


তারা বলেন, একপাক্ষিক বয়ান নয়, পুরো ঘটনা সামনে আসুক। অভিযোগ নয়—তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসুক।


এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আরিফ উল্লাহ জানিয়েছেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ সম্মেলনে আজব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদূল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, সেজুল ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসননগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।


লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রধান সড়কে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং এতে শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে সেখানে জড়িয়ে পড়েছিল—এসব বিষয়ও তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার দাবি জানান তারা।


লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়।


সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, শ্রাবণের বাবা জুবাব আলী নতুন হাসননগর এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করেই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জুবাব আলীর সম্পৃক্ততার বিষয়টিও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।


পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্য তদন্তে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।


তারা বলেন, একপাক্ষিক বয়ান নয়, পুরো ঘটনা সামনে আসুক। অভিযোগ নয়—তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসুক।


এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আরিফ উল্লাহ জানিয়েছেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ সম্মেলনে আজব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদূল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, সেজুল ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com