Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ-আজারবাইজানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ কূটনৈতিক, সরকারি ও সার্ভিস পাসপোর্টে ভিসা লাগবে না
ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

কূটনৈতিক, সরকারি ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়াই পারস্পরিক ভ্রমণের সুযোগ দিতে বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ নিজ নিজ সরকারের হয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যের পাশাপাশি আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।


চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের কূটনৈতিক, সরকারি ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা নির্ধারিত ভিসা অব্যাহতি ব্যবস্থার আওতায় একে অপরের দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন। এর ফলে দুই দেশের কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সফর এবং সরকারি পর্যায়ের যোগাযোগ আরও সহজ হবে।


চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংলাপ জোরদার, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা ও মানবিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পায়।


আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত এ চুক্তি দুই দেশের সরকারি পর্যায়ের যোগাযোগ জোরদার এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্বের পরিধি বিস্তারে ভূমিকা রাখবে।


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এ বৈঠক ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর তিনি আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভের সঙ্গে জাতিসংঘের এজেন্ডার বিভিন্ন বিষয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন।


সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন ভিসা অব্যাহতি চুক্তির ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও সরকারি পর্যায়ের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও মানবিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

অনলাইন ডেস্ক :

কূটনৈতিক, সরকারি ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়াই পারস্পরিক ভ্রমণের সুযোগ দিতে বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ নিজ নিজ সরকারের হয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যের পাশাপাশি আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।


চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের কূটনৈতিক, সরকারি ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা নির্ধারিত ভিসা অব্যাহতি ব্যবস্থার আওতায় একে অপরের দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন। এর ফলে দুই দেশের কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সফর এবং সরকারি পর্যায়ের যোগাযোগ আরও সহজ হবে।


চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংলাপ জোরদার, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা ও মানবিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পায়।


আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত এ চুক্তি দুই দেশের সরকারি পর্যায়ের যোগাযোগ জোরদার এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্বের পরিধি বিস্তারে ভূমিকা রাখবে।


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এ বৈঠক ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর তিনি আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভের সঙ্গে জাতিসংঘের এজেন্ডার বিভিন্ন বিষয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন।


সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন ভিসা অব্যাহতি চুক্তির ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও সরকারি পর্যায়ের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও মানবিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com