গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটক থেকে মাত্র ২০ গজ দূরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত এই জাতীয় স্মারকের পাশেই রয়েছে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনার আশপাশে এখন দেখা যাচ্ছে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। এতে শহীদ মিনারের সৌন্দর্য ও গাম্ভীর্য যেমন ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, তেমনি পরিবেশ দূষণও বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর প্রবেশপথ ও শহীদ মিনারের সীমানা-সংলগ্ন এলাকায় সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে অটোরিকশা, লেগুনা ও মালামাল পরিবহনের পিকআপ ভ্যান। কোনো কোনো স্থানে এত বেশি যানবাহন রাখা হয়েছে যে, জায়গাটি দেখে নির্ধারিত পার্কিং বা যানবাহন স্ট্যান্ড বলেই মনে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহীদ মিনার ও ডাকবাংলোর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশে এভাবে দীর্ঘসময় যানবাহন রাখা হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।
যানবাহন পার্কিংয়ের পাশাপাশি ডাকবাংলোর মূল ফটক ও শহীদ মিনারের পাশের এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে পচা ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন ধরনের উচ্ছিষ্ট। দীর্ঘসময় এসব পড়ে থাকায় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং শহীদ মিনারে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত একটি জাতীয় স্মারকের আশপাশে এমন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গোয়াইনঘাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি ভাষা শহীদদের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত একটি জাতীয় স্মারক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এখানে সরকারি-বেসরকারি নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তাদের প্রশ্ন, যে স্থানটি জাতীয় দিবসগুলোতে শ্রদ্ধা নিবেদনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠে, সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানের সামনেই যদি ময়লার স্তূপ ও যানবাহনের জট তৈরি হয়, তাহলে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
শহীদ মিনারের পাশেই জেলা পরিষদের ডাকবাংলো। এখানে নিয়মিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন অতিথির যাতায়াত রয়েছে। ফলে ডাকবাংলোর প্রবেশপথে যত্রতত্র যানবাহন রাখা এবং ময়লা-আবর্জনা জমে থাকার ঘটনায় শুধু পরিবেশ নয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
শহীদ মিনার ও ডাকবাংলোর সামনের জায়গাটি কি নির্ধারিত পার্কিং এলাকা? সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোনো অনুমোদন রয়েছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
তাদের আরও প্রশ্ন, উপজেলা প্রশাসনের প্রধান ফটক থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি আসেনি, নাকি বিষয়টি নজরে আসার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল দ্রুত শহীদ মিনার ও ডাকবাংলো-সংলগ্ন এলাকাকে ‘পার্কিং ও ময়লামুক্ত এলাকা’ হিসেবে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটক থেকে মাত্র ২০ গজ দূরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত এই জাতীয় স্মারকের পাশেই রয়েছে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনার আশপাশে এখন দেখা যাচ্ছে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। এতে শহীদ মিনারের সৌন্দর্য ও গাম্ভীর্য যেমন ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, তেমনি পরিবেশ দূষণও বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর প্রবেশপথ ও শহীদ মিনারের সীমানা-সংলগ্ন এলাকায় সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে অটোরিকশা, লেগুনা ও মালামাল পরিবহনের পিকআপ ভ্যান। কোনো কোনো স্থানে এত বেশি যানবাহন রাখা হয়েছে যে, জায়গাটি দেখে নির্ধারিত পার্কিং বা যানবাহন স্ট্যান্ড বলেই মনে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহীদ মিনার ও ডাকবাংলোর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশে এভাবে দীর্ঘসময় যানবাহন রাখা হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।
যানবাহন পার্কিংয়ের পাশাপাশি ডাকবাংলোর মূল ফটক ও শহীদ মিনারের পাশের এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে পচা ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন ধরনের উচ্ছিষ্ট। দীর্ঘসময় এসব পড়ে থাকায় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং শহীদ মিনারে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত একটি জাতীয় স্মারকের আশপাশে এমন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গোয়াইনঘাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি ভাষা শহীদদের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত একটি জাতীয় স্মারক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এখানে সরকারি-বেসরকারি নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তাদের প্রশ্ন, যে স্থানটি জাতীয় দিবসগুলোতে শ্রদ্ধা নিবেদনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠে, সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানের সামনেই যদি ময়লার স্তূপ ও যানবাহনের জট তৈরি হয়, তাহলে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
শহীদ মিনারের পাশেই জেলা পরিষদের ডাকবাংলো। এখানে নিয়মিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন অতিথির যাতায়াত রয়েছে। ফলে ডাকবাংলোর প্রবেশপথে যত্রতত্র যানবাহন রাখা এবং ময়লা-আবর্জনা জমে থাকার ঘটনায় শুধু পরিবেশ নয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
শহীদ মিনার ও ডাকবাংলোর সামনের জায়গাটি কি নির্ধারিত পার্কিং এলাকা? সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোনো অনুমোদন রয়েছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
তাদের আরও প্রশ্ন, উপজেলা প্রশাসনের প্রধান ফটক থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি আসেনি, নাকি বিষয়টি নজরে আসার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল দ্রুত শহীদ মিনার ও ডাকবাংলো-সংলগ্ন এলাকাকে ‘পার্কিং ও ময়লামুক্ত এলাকা’ হিসেবে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।