Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

দুই ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যু, একই ঈদগাহে জানাজা শেষে পাশাপাশি দাফন

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিলেটের জকিগঞ্জে মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন বাবা ও ছেলে। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সদ্যবিবাহিত ছেলে মাসুক আহমেদের (৩৮) মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে অসুস্থ হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর মারা যান তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ (৬৭)। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


সোমবার (৩১ আগস্ট) জোহরের নামাজের পর উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের খিলগ্রাম ঈদগাহে বাবা-ছেলের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই স্থানে পাশাপাশি দুটি কবরে তাঁদের দাফন করা হয়।


জানাজা ও দাফনে স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজার আগে ঈদগাহের পাশে পাশাপাশি দুটি কবর খোঁড়া হয়। জানাজা শেষে একে একে বাবা ও ছেলের মরদেহ পৃথক দুটি কবরে নামানো হয়। জীবনের শেষ ঠিকানাতেও পাশাপাশি রয়ে গেলেন বাবা-ছেলে।


স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে এ সময় খিলগ্রাম ঈদগাহ ও আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রিয়জনের এমন করুণ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। উপস্থিত মুসল্লিদের অনেকের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে।


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাসুক আহমেদ শাহগলী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘নুসরাত লাইটিং’-এ কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার সন্ধ্যায় কর্মস্থলে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।


মাসুকের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাঁকে সামলানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁরও মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।


স্বজনেরা আরও জানান, মাসুক আহমেদের বিয়ে হয়েছিল অল্প কিছুদিন আগে। নতুন সংসার নিয়ে তাঁর ছিল নানা স্বপ্ন ও পরিকল্পনা। কিন্তু নতুন জীবনের আনন্দ উপভোগের আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অকালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর হাতে বিয়ের মেহেদির দাগও তখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি বলে জানান স্বজনরা।


একসঙ্গে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে খিলগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাঁদের বাড়িতে ছুটে যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।


খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকও ঘটনাস্থলে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সান্ত্বনা দেন।


মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা ও ছেলের মৃত্যু এবং একই ঈদগাহে জানাজা শেষে পাশাপাশি দাফনের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছে।

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিলেটের জকিগঞ্জে মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন বাবা ও ছেলে। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সদ্যবিবাহিত ছেলে মাসুক আহমেদের (৩৮) মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে অসুস্থ হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর মারা যান তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ (৬৭)। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


সোমবার (৩১ আগস্ট) জোহরের নামাজের পর উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের খিলগ্রাম ঈদগাহে বাবা-ছেলের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই স্থানে পাশাপাশি দুটি কবরে তাঁদের দাফন করা হয়।


জানাজা ও দাফনে স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজার আগে ঈদগাহের পাশে পাশাপাশি দুটি কবর খোঁড়া হয়। জানাজা শেষে একে একে বাবা ও ছেলের মরদেহ পৃথক দুটি কবরে নামানো হয়। জীবনের শেষ ঠিকানাতেও পাশাপাশি রয়ে গেলেন বাবা-ছেলে।


স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে এ সময় খিলগ্রাম ঈদগাহ ও আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রিয়জনের এমন করুণ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। উপস্থিত মুসল্লিদের অনেকের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে।


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাসুক আহমেদ শাহগলী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘নুসরাত লাইটিং’-এ কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার সন্ধ্যায় কর্মস্থলে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।


মাসুকের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাঁকে সামলানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁরও মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।


স্বজনেরা আরও জানান, মাসুক আহমেদের বিয়ে হয়েছিল অল্প কিছুদিন আগে। নতুন সংসার নিয়ে তাঁর ছিল নানা স্বপ্ন ও পরিকল্পনা। কিন্তু নতুন জীবনের আনন্দ উপভোগের আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অকালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর হাতে বিয়ের মেহেদির দাগও তখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি বলে জানান স্বজনরা।


একসঙ্গে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে খিলগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাঁদের বাড়িতে ছুটে যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।


খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকও ঘটনাস্থলে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সান্ত্বনা দেন।


মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা ও ছেলের মৃত্যু এবং একই ঈদগাহে জানাজা শেষে পাশাপাশি দাফনের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com