Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৩:২১ পূর্বাহ্ন

রংপুরে চার খুন: মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

অনলাইন ডেস্ক।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।


রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, কারাগারে থাকা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।


এর আগে ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে চারজনকে হত্যার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।


পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনের বিষয়টি দেখে ফেলায় এবং সামাজিক সম্মানহানির আশঙ্কায় গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তাঁদের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল।


তবে এখন ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনে মাদকের কোনো উপস্থিতি না পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা মাদক সেবন করেছিলেন—পুলিশের আগের সেই বক্তব্যের সঙ্গে পরীক্ষার ফলাফলের একটি অসামঞ্জস্য দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি তদন্তে কীভাবে বিবেচনা করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


গ্রেপ্তারের পর মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।


এদিকে, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করায় আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে এনে ডোপ টেস্ট করানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়। মব বা হামলার আশঙ্কায় আদালত ও কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রোববার (৩০ আগস্ট) রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারেই তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।


কারাগারে নমুনা সংগ্রহের সময় রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল উপস্থিত ছিল। তাঁদের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারীও ছিলেন। কারাগারের ভেতরেই দুই আসামির প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।


এর আগে ২৬ আগস্ট পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্ট এবং ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।


ডোপ টেস্টের ফল হাতে আসার পর তদন্তে নতুন একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে। একদিকে আসামিদের জবানবন্দি ও পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ইয়াবা সেবনের কথা উঠে এসেছে, অন্যদিকে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।


তবে ডোপ টেস্টে মাদক না পাওয়াই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আসামিদের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয় না। তদন্তকারীরা জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, ঘটনাস্থলের আলামতসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ মিলিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করবেন।

অনলাইন ডেস্ক।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।


রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, কারাগারে থাকা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।


এর আগে ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে চারজনকে হত্যার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।


পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনের বিষয়টি দেখে ফেলায় এবং সামাজিক সম্মানহানির আশঙ্কায় গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তাঁদের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল।


তবে এখন ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনে মাদকের কোনো উপস্থিতি না পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা মাদক সেবন করেছিলেন—পুলিশের আগের সেই বক্তব্যের সঙ্গে পরীক্ষার ফলাফলের একটি অসামঞ্জস্য দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি তদন্তে কীভাবে বিবেচনা করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


গ্রেপ্তারের পর মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।


এদিকে, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করায় আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে এনে ডোপ টেস্ট করানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়। মব বা হামলার আশঙ্কায় আদালত ও কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রোববার (৩০ আগস্ট) রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারেই তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।


কারাগারে নমুনা সংগ্রহের সময় রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল উপস্থিত ছিল। তাঁদের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারীও ছিলেন। কারাগারের ভেতরেই দুই আসামির প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।


এর আগে ২৬ আগস্ট পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্ট এবং ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।


ডোপ টেস্টের ফল হাতে আসার পর তদন্তে নতুন একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে। একদিকে আসামিদের জবানবন্দি ও পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ইয়াবা সেবনের কথা উঠে এসেছে, অন্যদিকে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।


তবে ডোপ টেস্টে মাদক না পাওয়াই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আসামিদের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয় না। তদন্তকারীরা জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, ঘটনাস্থলের আলামতসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ মিলিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করবেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com