পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ভবনের ‘ই এ চৌধুরী মিলনায়তনে’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাকীম মাওলানা আনসার আহমেদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বিশ্বনবী (সা.)-কে যেভাবে সম্মানিত করেছেন, আমাদেরও সেভাবেই তাঁর শান-মান ও মর্যাদা তুলে ধরতে হবে।’ তিনি উপস্থিত ওলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে বলেন, মহানবী (সা.)-এর পরিভাষা ও পরিচয় উপস্থাপনে কোরআন নির্দেশিত মেথডোলজি বা পদ্ধতি অনুসরণ করাই সমীচীন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সেন্টার ফর ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড কালচার (সিআইআরসি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও সুমহান আদর্শকে কেবল বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক সকালের সময়-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং পরিষদের উপদেষ্টা মো. নূর হাকিম বলেন, ‘আমরা যদি নিজেদের সত্যিকারের নবীপ্রেমিক দাবি করি, তবে সমাজে এখনও কীভাবে গীবত, সুদ, হিংসা এবং অন্যের হক নষ্ট করার মতো অন্যায় ছড়িয়ে থাকে?’ তিনি বলেন, নামাজ পড়েও যারা সুদ, গীবত কিংবা মানুষের হক নষ্টের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাদের আচরণ রাসুল (সা.)-এর আদর্শের পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, শুধু দাড়ি বা টুপির মতো বাহ্যিক সুন্নতের চর্চায় সীমাবদ্ধ না থেকে রাসুল (সা.)-এর সার্বিক জীবনবিধান, আদর্শ ও নীতিকে সমাজ ও রাষ্ট্রযন্ত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই সমাজ উন্নত হবে এবং মানুষের সত্যিকারের কল্যাণ সাধিত হবে।
দক্ষিণ সুরমা, সিলেটের লালাবাজার ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মো. নাজমুল ইসলামের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক হুইপ এম. নাদিম উদ্দিন আল আজাদ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন ক্বারী মাওলানা আজিজুর রহমান বিন ফজলুল হক।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, নূরে মোহাম্মদীয়া হাফিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, ঢাকার প্রিন্সিপাল ড. লোকমান হাকিমসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশে বর্তমানে শিক্ষানীতি ও নেতৃত্ব সবচেয়ে বেশি অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হয়েছে। এই দুটি ক্ষেত্র সংশোধন করে রাসুল (সা.)-এর পূর্ণাঙ্গ আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন এবং সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
শেষে বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী মিলাদ শরীফ পরিচালনা করেন। পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ এবং স্থায়ী শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ভবনের ‘ই এ চৌধুরী মিলনায়তনে’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাকীম মাওলানা আনসার আহমেদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বিশ্বনবী (সা.)-কে যেভাবে সম্মানিত করেছেন, আমাদেরও সেভাবেই তাঁর শান-মান ও মর্যাদা তুলে ধরতে হবে।’ তিনি উপস্থিত ওলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে বলেন, মহানবী (সা.)-এর পরিভাষা ও পরিচয় উপস্থাপনে কোরআন নির্দেশিত মেথডোলজি বা পদ্ধতি অনুসরণ করাই সমীচীন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সেন্টার ফর ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড কালচার (সিআইআরসি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও সুমহান আদর্শকে কেবল বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক সকালের সময়-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং পরিষদের উপদেষ্টা মো. নূর হাকিম বলেন, ‘আমরা যদি নিজেদের সত্যিকারের নবীপ্রেমিক দাবি করি, তবে সমাজে এখনও কীভাবে গীবত, সুদ, হিংসা এবং অন্যের হক নষ্ট করার মতো অন্যায় ছড়িয়ে থাকে?’ তিনি বলেন, নামাজ পড়েও যারা সুদ, গীবত কিংবা মানুষের হক নষ্টের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাদের আচরণ রাসুল (সা.)-এর আদর্শের পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, শুধু দাড়ি বা টুপির মতো বাহ্যিক সুন্নতের চর্চায় সীমাবদ্ধ না থেকে রাসুল (সা.)-এর সার্বিক জীবনবিধান, আদর্শ ও নীতিকে সমাজ ও রাষ্ট্রযন্ত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই সমাজ উন্নত হবে এবং মানুষের সত্যিকারের কল্যাণ সাধিত হবে।
দক্ষিণ সুরমা, সিলেটের লালাবাজার ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মো. নাজমুল ইসলামের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক হুইপ এম. নাদিম উদ্দিন আল আজাদ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন ক্বারী মাওলানা আজিজুর রহমান বিন ফজলুল হক।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, নূরে মোহাম্মদীয়া হাফিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, ঢাকার প্রিন্সিপাল ড. লোকমান হাকিমসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশে বর্তমানে শিক্ষানীতি ও নেতৃত্ব সবচেয়ে বেশি অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হয়েছে। এই দুটি ক্ষেত্র সংশোধন করে রাসুল (সা.)-এর পূর্ণাঙ্গ আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন এবং সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
শেষে বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী মিলাদ শরীফ পরিচালনা করেন। পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ এবং স্থায়ী শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান মিয়াজী।