শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজের পরিধি বাড়াতে কয়েক শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
‘সবুজ পৃথিবী গড়ি, আসুন একটি করে গাছ লাগাই’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে শনিবার শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও প্রকাশনা) মোহাম্মদ শিপন জামান গাছের চারা রোপণ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু গাছ লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির বিষয়ে মানুষকে সচেতন করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন জানান, গত তিন বছর ধরে সংগঠনের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সুন্দর করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার সঙ্গেও এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রতিবছর বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি লাগানো গাছগুলো যাতে বেঁচে থাকে, সেদিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।”
ভুরভুরিয়া চা-বাগানের সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশে নতুন করে যুক্ত হওয়া এসব ফলজ ও বনজ চারা ভবিষ্যতে ছায়া, ফল ও কাঠের জোগানের পাশাপাশি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের মতে, একটি চারা আজ ছোট হলেও নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যা পেলে একদিন সেটিই পরিণত হবে বড় গাছে। শত শত গাছের সম্মিলিত সবুজে ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকা আরও সুন্দর, শীতল ও পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশাই তাদের।
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজের পরিধি বাড়াতে কয়েক শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
‘সবুজ পৃথিবী গড়ি, আসুন একটি করে গাছ লাগাই’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে শনিবার শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও প্রকাশনা) মোহাম্মদ শিপন জামান গাছের চারা রোপণ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু গাছ লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির বিষয়ে মানুষকে সচেতন করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন জানান, গত তিন বছর ধরে সংগঠনের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সুন্দর করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার সঙ্গেও এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রতিবছর বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি লাগানো গাছগুলো যাতে বেঁচে থাকে, সেদিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।”
ভুরভুরিয়া চা-বাগানের সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশে নতুন করে যুক্ত হওয়া এসব ফলজ ও বনজ চারা ভবিষ্যতে ছায়া, ফল ও কাঠের জোগানের পাশাপাশি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের মতে, একটি চারা আজ ছোট হলেও নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যা পেলে একদিন সেটিই পরিণত হবে বড় গাছে। শত শত গাছের সম্মিলিত সবুজে ভুরভুরিয়া চা-বাগান এলাকা আরও সুন্দর, শীতল ও পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশাই তাদের।