অনলাইন ডেস্ক : আগামী নভেম্বর মাসে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রগতি জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আগামী নভেম্বরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন করে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময়ে দেশের আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূল থাকায় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠান থাকায় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে পূজা, ঈদ, রমজানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় আয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। ভোটের কারণে যাতে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচিতে সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও কমিশন গুরুত্ব দেবে।
এ ছাড়া নির্বাচনের উপযুক্ত সময় নির্ধারণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটারদের সুবিধা এবং অন্যান্য বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে ভোটের চূড়ান্ত তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর নির্ধারিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নির্বাচন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠ প্রশাসনের ওপর চাপ সামলানো সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে। কোন পর্যায়ের নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা সংশ্লিষ্ট সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে। শুধু নভেম্বরের নির্বাচন নয়, পরবর্তী সময়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কমিশন কাজ করছে এবং পর্যায়ক্রমে এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে তাদের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি কী—সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও তাদের। মাঠপর্যায়ে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়াও নির্বাচন কমিশনের অধীনেই হবে। তবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায় নির্বাচন আয়োজনের খরচসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সরকার সহায়তা করবে।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে সরকারকে জানতে হবে। তবে তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত তারাই জানাবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে এরই মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করতে হবে এবং বাজেটে রাখা অর্থও এ সময়ের মধ্যে ব্যয় করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। তবে ভোটের তারিখ, তফসিল, মনোনয়ন দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহারসহ নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সব মিলিয়ে আগামী নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করার প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে কমিশনের বৈঠক, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনার ওপর।
অনলাইন ডেস্ক : আগামী নভেম্বর মাসে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রগতি জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আগামী নভেম্বরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন করে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময়ে দেশের আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূল থাকায় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠান থাকায় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে পূজা, ঈদ, রমজানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় আয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। ভোটের কারণে যাতে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচিতে সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও কমিশন গুরুত্ব দেবে।
এ ছাড়া নির্বাচনের উপযুক্ত সময় নির্ধারণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটারদের সুবিধা এবং অন্যান্য বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে ভোটের চূড়ান্ত তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর নির্ধারিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নির্বাচন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠ প্রশাসনের ওপর চাপ সামলানো সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে। কোন পর্যায়ের নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা সংশ্লিষ্ট সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে। শুধু নভেম্বরের নির্বাচন নয়, পরবর্তী সময়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কমিশন কাজ করছে এবং পর্যায়ক্রমে এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে তাদের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি কী—সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও তাদের। মাঠপর্যায়ে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়াও নির্বাচন কমিশনের অধীনেই হবে। তবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায় নির্বাচন আয়োজনের খরচসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সরকার সহায়তা করবে।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে সরকারকে জানতে হবে। তবে তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত তারাই জানাবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে এরই মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করতে হবে এবং বাজেটে রাখা অর্থও এ সময়ের মধ্যে ব্যয় করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। তবে ভোটের তারিখ, তফসিল, মনোনয়ন দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহারসহ নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সব মিলিয়ে আগামী নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করার প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে কমিশনের বৈঠক, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনার ওপর।