Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৩ আগস্ট ২০২৬ · ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

ছাতকে ২০ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মরম আলী (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাবনগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে শিশুটিকে বাড়ির পাশের একটি ঘরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে মরম আলীর বিরুদ্ধে। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির মা চিৎকার করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।


পরে শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে মামলার সূত্রে জানা গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। সেখানে শিশুটিকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ১৭ আগস্ট ছাতক থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করেন। মামলাটি ছাতক থানার মামলা নম্বর ২৪। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই (নিরস্ত্র) মো. সালাউদ্দিন মোল্লাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত মরম আলীকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ইসলামপুর ইউনিয়নের বাবনগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মরম আলী (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাবনগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে শিশুটিকে বাড়ির পাশের একটি ঘরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে মরম আলীর বিরুদ্ধে। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির মা চিৎকার করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।


পরে শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে মামলার সূত্রে জানা গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। সেখানে শিশুটিকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ১৭ আগস্ট ছাতক থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করেন। মামলাটি ছাতক থানার মামলা নম্বর ২৪। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই (নিরস্ত্র) মো. সালাউদ্দিন মোল্লাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত মরম আলীকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ইসলামপুর ইউনিয়নের বাবনগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com