কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই ব্রিজ রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত চারটি বারকি নৌকা ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে মজুদ করা ১২ হাজার ৫০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ধলাই ব্রিজ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে জব্দ করা বালু চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় জনসম্মুখে তাৎক্ষণিকভাবে স্পট নিলামের আয়োজন করা হয়। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ভ্যাট ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জসহ মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে জব্দকৃত বালু ক্রয় করেন।
পরবর্তীতে নিলামের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিলামে প্রাপ্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার পর নিলাম ক্রেতাকে জব্দ করা বালু অপসারণের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে। অনুমতিপত্র অনুযায়ী দুই দিনের মধ্যে জব্দকৃত বালু অপসারণ করতে হবে।
অভিযান পরিচালনায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধলাই ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে সেতুর নিরাপত্তা ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে অবৈধ বালু উত্তোলন ও মজুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই ব্রিজ রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত চারটি বারকি নৌকা ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে মজুদ করা ১২ হাজার ৫০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ধলাই ব্রিজ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে জব্দ করা বালু চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় জনসম্মুখে তাৎক্ষণিকভাবে স্পট নিলামের আয়োজন করা হয়। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ভ্যাট ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জসহ মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে জব্দকৃত বালু ক্রয় করেন।
পরবর্তীতে নিলামের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিলামে প্রাপ্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার পর নিলাম ক্রেতাকে জব্দ করা বালু অপসারণের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে। অনুমতিপত্র অনুযায়ী দুই দিনের মধ্যে জব্দকৃত বালু অপসারণ করতে হবে।
অভিযান পরিচালনায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধলাই ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে সেতুর নিরাপত্তা ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে অবৈধ বালু উত্তোলন ও মজুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।