সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলা শহরের সঙ্গে সদর উপজেলার উত্তরপাড়ের সুরমা ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর ও রঙ্গারচরসহ পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় সুরমা নদীর চাঁদনী খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নৌকায় পারাপার হতে হয় হাজারো মানুষকে। খেয়াঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ও সমাজসেবক মো. সুজন মাহমুদ।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের মধ্যবাজারের সুরমা নদীর চাঁদনী খেয়াঘাট এলাকায় নির্মিত টিনসেটের অস্থায়ী যাত্রীছাউনীর উদ্বোধন করেন জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন ও এর উদ্যোক্তা সমাজসেবক মো. সুজন মাহমুদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. শফিক মিয়া, মো. আনুল মিয়া, মো. আফাজ মিয়া, মণির মিয়া, দুলাল, আলী আফতর ও বাবলু মিয়াসহ স্থানীয়রা।
সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. সুজন মাহমুদ বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার ক্ষমতায়। শহরের চাঁদনীঘাট এলাকায় উত্তরপাড়ের তিনটি ইউনিয়নসহ দোয়ারাবাজার উপজেলার আরও দুটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রতিদিন প্রয়োজনের তাগিদে এই খেয়াঘাট দিয়ে নৌকায় পারাপার হয়ে সুনামগঞ্জ শহর, সিলেট ও ঢাকায় যাতায়াত করেন।”
তিনি বলেন, “খেয়া পারাপারের জন্য অনেক সময় গর্ভবতী নারী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। মানুষের এই দুর্ভোগ দেখে নিজের অর্থায়নে অস্থায়ীভাবে একটি যাত্রীছাউনী নির্মাণ করে দিয়েছি। এতে অন্তত খেয়াঘাটে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।”
সুজন মাহমুদ আরও বলেন, চাঁদনী খেয়াঘাটে মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে এখানে একটি স্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
স্থানীয়রা বলেন, চাঁদনী খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ পারাপার হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের বসার বা রোদ-বৃষ্টি থেকে আশ্রয় নেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করায় যাত্রীদের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।