শোষণ, অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে দক্ষ ও মানসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি, নিরাপদ ও মানসম্মত কর্মসংস্থান এবং অভিবাসী কর্মীদের অধিকার, মর্যাদা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের জনশক্তি তৈরিতে ইংরেজি ভাষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশে বিদ্যমান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ‘গ্রিন স্কিল’ ও ‘ডিজিটাল স্কিল’ প্রশিক্ষণেও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে এফসিডিও (FCDO), আইএলও (ILO) ও বিশ্বব্যাংকের (World Bank) অংশীদারত্বে চলমান ‘রাইজ’ (RAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে বিদেশফেরত কর্মীদের টেকসই পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন এবং অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ইউরোপের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের জনশক্তি তৈরিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সংযোগ স্থাপন করা যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত কর্মী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হলে তরুণদের বৈধ পথে অভিবাসনে আরও উৎসাহিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও যৌক্তিক ব্যয়ে শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যবস্থা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার এবং ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার কথা জানান।
যুক্তরাজ্যে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রসঙ্গে হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে দেশটির সরকার ও জনগণ অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের আশ্রয়প্রার্থীদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সম্প্রতি যারা সেখানে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং বাকিদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।
হাইকমিশনার আরও জানান, আশ্রয়ের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইলে পুনর্বাসনের জন্য তাকে ৩ হাজার পাউন্ড আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় ডিপোর্ট করা হলে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের জাস্টিস অ্যান্ড হোম অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক কাউন্সিলর রায়ান ডানকানসন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসন, অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শোষণ, অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে দক্ষ ও মানসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি, নিরাপদ ও মানসম্মত কর্মসংস্থান এবং অভিবাসী কর্মীদের অধিকার, মর্যাদা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের জনশক্তি তৈরিতে ইংরেজি ভাষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশে বিদ্যমান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ‘গ্রিন স্কিল’ ও ‘ডিজিটাল স্কিল’ প্রশিক্ষণেও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে এফসিডিও (FCDO), আইএলও (ILO) ও বিশ্বব্যাংকের (World Bank) অংশীদারত্বে চলমান ‘রাইজ’ (RAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে বিদেশফেরত কর্মীদের টেকসই পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন এবং অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ইউরোপের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের জনশক্তি তৈরিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সংযোগ স্থাপন করা যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত কর্মী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হলে তরুণদের বৈধ পথে অভিবাসনে আরও উৎসাহিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও যৌক্তিক ব্যয়ে শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যবস্থা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার এবং ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার কথা জানান।
যুক্তরাজ্যে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রসঙ্গে হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে দেশটির সরকার ও জনগণ অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের আশ্রয়প্রার্থীদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সম্প্রতি যারা সেখানে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং বাকিদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।
হাইকমিশনার আরও জানান, আশ্রয়ের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইলে পুনর্বাসনের জন্য তাকে ৩ হাজার পাউন্ড আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় ডিপোর্ট করা হলে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের জাস্টিস অ্যান্ড হোম অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক কাউন্সিলর রায়ান ডানকানসন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসন, অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।