Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৬ আগস্ট ২০২৬ · ০৬:০৬ অপরাহ্ন

জকিগঞ্জে সীমান্ত ভাঙন পরিদর্শনে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ কুশিয়ারার ভাঙনে সীমারেখা ও মানচিত্রে সম্ভাব্য প্রভাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে
ছবি

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর সীমান্ত ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছনাত হুমায়ুন কবীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটের সম্মুখ থেকে হাইদ্রাবন্দ এলাকা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর সীমান্তবর্তী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নদীভাঙনের প্রকৃতি, এর বর্তমান অবস্থা এবং সীমান্ত ও দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নদীভাঙনের তুলনায় জকিগঞ্জের সীমান্তবর্তী কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের প্রভাব ভিন্ন। এখানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়া সীমান্তবর্তী ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় না। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ২০১০ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী, নদীভাঙনের কারণে প্রায় ২ হাজার ৬০০ একর ভূমি ভারতের দিকে চলে গেছে বলে দাবি করা হয়।

সম্প্রতি জকিগঞ্জ–কানাইঘাট আসনের সংসদ সদস্য মুফতী আবুল হাসান জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে জকিগঞ্জের সীমান্ত ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দ, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামুয়েল সাংমা, বিজিবির সুবেদার মো. শাহ আলম, জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সুজন মিয়া, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, কোষাধ্যক্ষ কে এম মামুনসহ বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর সীমান্ত ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছনাত হুমায়ুন কবীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটের সম্মুখ থেকে হাইদ্রাবন্দ এলাকা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর সীমান্তবর্তী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নদীভাঙনের প্রকৃতি, এর বর্তমান অবস্থা এবং সীমান্ত ও দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নদীভাঙনের তুলনায় জকিগঞ্জের সীমান্তবর্তী কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের প্রভাব ভিন্ন। এখানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়া সীমান্তবর্তী ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় না। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ২০১০ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী, নদীভাঙনের কারণে প্রায় ২ হাজার ৬০০ একর ভূমি ভারতের দিকে চলে গেছে বলে দাবি করা হয়।

সম্প্রতি জকিগঞ্জ–কানাইঘাট আসনের সংসদ সদস্য মুফতী আবুল হাসান জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে জকিগঞ্জের সীমান্ত ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দ, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামুয়েল সাংমা, বিজিবির সুবেদার মো. শাহ আলম, জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সুজন মিয়া, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, কোষাধ্যক্ষ কে এম মামুনসহ বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com