হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন ও সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে সারজিস আলম সাংবাদিকদের জানান, এ হামলায় এনসিপির ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও অপর জনকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, ‘শান্তিপ্রিয় হবিগঞ্জকে অশান্ত করার চক্রান্তে তারা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এজন্য সাধারণ ছাত্র জনতা প্রতিবাদে রুখে দিয়েছে এর সাথে ছাত্রদল জড়িত নয়। এর দায়ভার তাদেরকেই নিতে হবে।’
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, আজমিরীগঞ্জের প্রোগ্রাম শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। বিকেলবেলা হবিগঞ্জের প্রোগ্রাম শেষ করে দলছুট হয়ে তাদের সাথে থাকা মিডিয়ার একটি গাড়ি সামনে অগ্রসর হলে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রোগ্রামের নিরাপত্তায় ১২০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। ঘটনার পর পুলিশ প্রহরায় তাদেরকে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়া হয়।
একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশে এনসিপি নেতারা বিএনপি নেতাদের নাম উল্লেখ করে গুণ্ডাবাহিনী বলে এবং বিকেলে হবিগঞ্জ সদরের পথ সভায় বিএনপি নেতারা এখন মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন। এতে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলে পদযাত্রা শেষে এনসিপি নেতাদের ঘিরে বিক্ষোভ করেন ছাত্রদল। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এনসিপি নেতাদের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ উঠে। এতে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও স্থানীয় এনসিপি নেতা, পৌর মেয়র প্রার্থী চৌধুরী মাহবুবুল বারী মুবিনসহ ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হন। পরে তাদেরকে সোনালী ব্যাংক গেইট অভ্যন্তরে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেয়।
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন ও সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে সারজিস আলম সাংবাদিকদের জানান, এ হামলায় এনসিপির ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও অপর জনকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, ‘শান্তিপ্রিয় হবিগঞ্জকে অশান্ত করার চক্রান্তে তারা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এজন্য সাধারণ ছাত্র জনতা প্রতিবাদে রুখে দিয়েছে এর সাথে ছাত্রদল জড়িত নয়। এর দায়ভার তাদেরকেই নিতে হবে।’
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, আজমিরীগঞ্জের প্রোগ্রাম শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। বিকেলবেলা হবিগঞ্জের প্রোগ্রাম শেষ করে দলছুট হয়ে তাদের সাথে থাকা মিডিয়ার একটি গাড়ি সামনে অগ্রসর হলে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রোগ্রামের নিরাপত্তায় ১২০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। ঘটনার পর পুলিশ প্রহরায় তাদেরকে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়া হয়।
একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশে এনসিপি নেতারা বিএনপি নেতাদের নাম উল্লেখ করে গুণ্ডাবাহিনী বলে এবং বিকেলে হবিগঞ্জ সদরের পথ সভায় বিএনপি নেতারা এখন মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন। এতে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলে পদযাত্রা শেষে এনসিপি নেতাদের ঘিরে বিক্ষোভ করেন ছাত্রদল। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এনসিপি নেতাদের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ উঠে। এতে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও স্থানীয় এনসিপি নেতা, পৌর মেয়র প্রার্থী চৌধুরী মাহবুবুল বারী মুবিনসহ ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হন। পরে তাদেরকে সোনালী ব্যাংক গেইট অভ্যন্তরে অবরুদ্ধ করে রাখা হলে পুলিশ উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেয়।