Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৯ জুলাই ২০২৬ · ১২:০৩ অপরাহ্ন

দলিল ছাড়াই ‘ভূমিদাতা সদস্য’! বালাগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:


সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল, কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে জমির বৈধ দলিলপত্র ছাড়াই ব্যক্তিদের ‘ভূমিদাতা সদস্য’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে পছন্দের লোকজন দিয়ে পরিচালনা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ভূমিদাতারা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


জানা গেছে, এসব অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে উপজেলার চান্দাইরপাড়া এলাকার নজির মিয়া গত ৮ জুলাই, তেঘরিয়া এলাকার শেখ খালেদ আহমেদ ১৯ জুলাই এবং এর আগে গত ৪ মে গৌরীনাথপুর এলাকার আহমদ আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালজুর ইউনিয়নের চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গৌরীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমি দান না করেও কয়েকজনকে ‘ভূমিদাতা সদস্য’ হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ে প্রকৃত ভূমিদাতাকে বাদ দিয়েই কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া উপজেলার আরও কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও দাতা সদস্য নির্বাচন নিয়ে একই ধরনের জটিলতা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।


অভিযোগকারীরা বলেন, জমি দান না করেও যদি কেউ ভূমিদাতা সদস্য হতে পারেন, তাহলে প্রকৃত দাতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়। তারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে অনিয়মের মাধ্যমে গঠিত ‘পকেট কমিটি’ অনুমোদন না দেওয়ার এবং বিধিমালা অনুযায়ী নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবি জানান।


এ বিষয়ে তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া বলেন, “বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার মানুষের কথায় ও আবেগের বশবর্তী হয়ে ইশা আনছারীকে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছি। এটি করা আমার উচিত হয়নি।”


চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ বলেন, “প্রকৃত ভূমিদাতাকেই সদস্য করা হয়েছে।” অভিযোগের বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


পশ্চিম গৌরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলেখা বেগম বলেন, “উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনায় পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।”


এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, “লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা দেবনাথ বলেন, “অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:


সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল, কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে জমির বৈধ দলিলপত্র ছাড়াই ব্যক্তিদের ‘ভূমিদাতা সদস্য’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে পছন্দের লোকজন দিয়ে পরিচালনা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ভূমিদাতারা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


জানা গেছে, এসব অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে উপজেলার চান্দাইরপাড়া এলাকার নজির মিয়া গত ৮ জুলাই, তেঘরিয়া এলাকার শেখ খালেদ আহমেদ ১৯ জুলাই এবং এর আগে গত ৪ মে গৌরীনাথপুর এলাকার আহমদ আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালজুর ইউনিয়নের চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গৌরীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমি দান না করেও কয়েকজনকে ‘ভূমিদাতা সদস্য’ হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ে প্রকৃত ভূমিদাতাকে বাদ দিয়েই কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া উপজেলার আরও কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও দাতা সদস্য নির্বাচন নিয়ে একই ধরনের জটিলতা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।


অভিযোগকারীরা বলেন, জমি দান না করেও যদি কেউ ভূমিদাতা সদস্য হতে পারেন, তাহলে প্রকৃত দাতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়। তারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে অনিয়মের মাধ্যমে গঠিত ‘পকেট কমিটি’ অনুমোদন না দেওয়ার এবং বিধিমালা অনুযায়ী নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবি জানান।


এ বিষয়ে তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া বলেন, “বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার মানুষের কথায় ও আবেগের বশবর্তী হয়ে ইশা আনছারীকে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছি। এটি করা আমার উচিত হয়নি।”


চান্দাইরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ বলেন, “প্রকৃত ভূমিদাতাকেই সদস্য করা হয়েছে।” অভিযোগের বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


পশ্চিম গৌরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলেখা বেগম বলেন, “উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনায় পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।”


এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, “লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা দেবনাথ বলেন, “অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com