গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি : সিলেটের গোয়াইনঘাটে বালুবাহী নৌযান থেকে ট্যাক্সের নামে জোরপূর্বক অর্থ আদায়, আটকে রাখা এবং মারধরের চেষ্টার অভিযোগে গোয়াইনঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক নৌযান ব্যবসায়ী।
অভিযোগকারী মো. বাবুল মিয়া (৩৪) গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের হাদারপাড় গ্রামের বাসিন্দা। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে হাজিপুর ইজারাভুক্ত এলাকা থেকে বালুবাহী নৌযান নিয়ে যাওয়ার সময় পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত ট্যাক্স পরিশোধ করে বৈধ রশিদ সংগ্রহ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন অতিক্রম করে আম্বারী এলাকায় পৌঁছানোর পর কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে পুনরায় ট্যাক্স দাবি করেন। তিনি পূর্বে পরিশোধ করা ট্যাক্সের রশিদ প্রদর্শন করলেও অভিযুক্তরা তা গ্রহণ না করে গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স পরিশোধ করতে চাপ প্রয়োগ করেন।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এতে আপত্তি জানালে গোলাম কিবরিয়া, তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক আটক করেন। এ সময় আবুল হোসেন নামে একজন জুতা দিয়ে মারধরের চেষ্টা করেন। তবে সেখানে উপস্থিত অপর এক ব্যক্তি তাকে নিবৃত্ত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৯০০ টাকার একটি ট্যাক্স রশিদ ধরিয়ে দিয়ে তার কাছে থাকা আনুমানিক ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
মো. বাবুল মিয়া দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো কার্যকর সহযোগিতা পাননি। এছাড়া অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে পুনরায় ওই এলাকায় গেলে তার ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছেন বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, জোরপূর্বক আদায়কৃত অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে নৌযান চালক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি : সিলেটের গোয়াইনঘাটে বালুবাহী নৌযান থেকে ট্যাক্সের নামে জোরপূর্বক অর্থ আদায়, আটকে রাখা এবং মারধরের চেষ্টার অভিযোগে গোয়াইনঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক নৌযান ব্যবসায়ী।
অভিযোগকারী মো. বাবুল মিয়া (৩৪) গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের হাদারপাড় গ্রামের বাসিন্দা। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে হাজিপুর ইজারাভুক্ত এলাকা থেকে বালুবাহী নৌযান নিয়ে যাওয়ার সময় পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত ট্যাক্স পরিশোধ করে বৈধ রশিদ সংগ্রহ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন অতিক্রম করে আম্বারী এলাকায় পৌঁছানোর পর কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে পুনরায় ট্যাক্স দাবি করেন। তিনি পূর্বে পরিশোধ করা ট্যাক্সের রশিদ প্রদর্শন করলেও অভিযুক্তরা তা গ্রহণ না করে গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স পরিশোধ করতে চাপ প্রয়োগ করেন।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এতে আপত্তি জানালে গোলাম কিবরিয়া, তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক আটক করেন। এ সময় আবুল হোসেন নামে একজন জুতা দিয়ে মারধরের চেষ্টা করেন। তবে সেখানে উপস্থিত অপর এক ব্যক্তি তাকে নিবৃত্ত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৯০০ টাকার একটি ট্যাক্স রশিদ ধরিয়ে দিয়ে তার কাছে থাকা আনুমানিক ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
মো. বাবুল মিয়া দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো কার্যকর সহযোগিতা পাননি। এছাড়া অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে পুনরায় ওই এলাকায় গেলে তার ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছেন বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, জোরপূর্বক আদায়কৃত অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে নৌযান চালক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।