Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২০ জুলাই ২০২৬ · ০৪:২৩ অপরাহ্ন

ইজারা নিয়েও ফাজিলপুর খেয়াঘাটের পূর্ণ দখল পাচ্ছেন না ইজারাদার, মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় নিয়ে দ্বন্দ্ব

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাট জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়েও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। তাঁর দাবি, ঘাটের সীমানার মধ্যে অবস্থিত মাহতাবপুর এলাকায় পৃথকভাবে খেয়াঘাট চালু করে একটি প্রভাবশালী চক্র যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে। এতে তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।


অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ইজারাকৃত ঘাটের অবস্থান থেকে উজানে এক মাইল এবং ভাটিতে এক মাইলের মধ্যে নতুন কোনো খেয়াঘাট সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। তবে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা নেওয়ার দাবি করে মাহতাবপুর এলাকায় একটি খেয়াঘাট পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সেখানে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে।


ইজারাদার রেজুয়ান করিমের অভিযোগ, ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার মধ্যে অবস্থিত মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় বন্ধের অনুরোধ জানালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে হুমকি-ধমকি দেন এবং মারমুখী আচরণ করেন।


পরে তিনি বিষয়টি জেলা পরিষদকে অবহিত করলে পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানা নির্ধারণ করেন এবং লাল নিশান টাঙিয়ে দেন। একই সঙ্গে মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় বন্ধ ও দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এখনো সেখানে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট চক্র।


অন্যদিকে মাহতাবপুর ঘাটে নিয়োজিত টোল আদায়কারীরা দাবি করেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়ে আরশাদুল হকের পক্ষে তারা টোল আদায় করছেন।


এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক বলেন, "নীতিমালা অনুযায়ী ইজারা দেওয়া ঘাটের উজান ও ভাটির নির্ধারিত সীমানার মধ্যে নতুন ঘাট সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। কেউ যদি এমনটি করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"


বিষয়টি নিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, "মাহতাবপুর ঘাটটি প্রায় ১০০ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুই বছর জেলা পরিষদ জোরপূর্বক ঘাটটি ইজারা দিয়েছিল। বর্তমানে আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকেই ঘাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে।"


এ বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বণিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ঘাটের ইজারা ও টোল আদায়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ভিন্নমুখী দাবির ফলে ফাজিলপুর-মাহতাবপুর খেয়াঘাট এলাকায় অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত শেষ করে নীতিমালা অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাট জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়েও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। তাঁর দাবি, ঘাটের সীমানার মধ্যে অবস্থিত মাহতাবপুর এলাকায় পৃথকভাবে খেয়াঘাট চালু করে একটি প্রভাবশালী চক্র যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে। এতে তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।


অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ইজারাকৃত ঘাটের অবস্থান থেকে উজানে এক মাইল এবং ভাটিতে এক মাইলের মধ্যে নতুন কোনো খেয়াঘাট সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। তবে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা নেওয়ার দাবি করে মাহতাবপুর এলাকায় একটি খেয়াঘাট পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সেখানে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে।


ইজারাদার রেজুয়ান করিমের অভিযোগ, ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার মধ্যে অবস্থিত মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় বন্ধের অনুরোধ জানালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে হুমকি-ধমকি দেন এবং মারমুখী আচরণ করেন।


পরে তিনি বিষয়টি জেলা পরিষদকে অবহিত করলে পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানা নির্ধারণ করেন এবং লাল নিশান টাঙিয়ে দেন। একই সঙ্গে মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় বন্ধ ও দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এখনো সেখানে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট চক্র।


অন্যদিকে মাহতাবপুর ঘাটে নিয়োজিত টোল আদায়কারীরা দাবি করেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়ে আরশাদুল হকের পক্ষে তারা টোল আদায় করছেন।


এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক বলেন, "নীতিমালা অনুযায়ী ইজারা দেওয়া ঘাটের উজান ও ভাটির নির্ধারিত সীমানার মধ্যে নতুন ঘাট সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। কেউ যদি এমনটি করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"


বিষয়টি নিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, "মাহতাবপুর ঘাটটি প্রায় ১০০ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুই বছর জেলা পরিষদ জোরপূর্বক ঘাটটি ইজারা দিয়েছিল। বর্তমানে আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকেই ঘাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে।"


এ বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বণিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ঘাটের ইজারা ও টোল আদায়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ভিন্নমুখী দাবির ফলে ফাজিলপুর-মাহতাবপুর খেয়াঘাট এলাকায় অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত শেষ করে নীতিমালা অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com