Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২০ জুলাই ২০২৬ · ০৪:১৯ অপরাহ্ন

টাঙ্গুয়ার হাওরের ঢেউয়ে প্রতিরক্ষা দেয়ালে ফাটল, ভাঙন আতঙ্কে ৪৫০ পরিবার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী সাড়ে তিনশ বছরের প্রাচীন জনপদ রংচী গ্রামটি এখন তীব্র ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। গ্রামটিকে হাওরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের আঘাত থেকে রক্ষা করতে নির্মিত ঢেউ প্রতিরক্ষা দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। দেয়ালের একাধিক অংশ ডেবে যাওয়ায় এটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় দেয়ালটি ভেঙে হাওরের পেটে চলে যেতে পারে ৪৫০ পরিবারের এই গ্রামটি।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গুয়ার হাওরের পশ্চিম তীরবর্তী রংচী গ্রামে প্রায় সাড়ে তিনশ বছর আগে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে। বর্তমানে গ্রামটিতে প্রায় ৪৫০টি পরিবার বসবাস করছে। হাওরের রাক্ষুসে ঢেউ ও স্রোতের আঘাত থেকে ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামটিকে রক্ষার জন্য ২০১১-২০১২ অর্থবছরে সরকারি অর্থায়নে একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হয়। তবে নির্মাণের পর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো ধরনের সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ না করায় দেয়ালটির বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং একাধিক স্থান ধসে পড়েছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, দেয়ালের বেশ কিছু অংশ মাটি থেকে সরে গেছে, যার ফলে সামান্য পানির চাপেই এটি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ অবস্থায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি এবং টাঙ্গুয়ার হাওরের উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এই প্রতিরক্ষা দেয়ালটি সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে পানির নিচে থাকায় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে দেয়ালটি আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গ্রামের বাড়িঘর সরাসরি ভাঙনের মুখে পড়ে।


রংচী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে বলেন, বর্ষা মৌসুমে দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ার আগেই এই প্রতিরক্ষা দেয়ালটি পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। একই সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী এর উচ্চতা বৃদ্ধি করে স্থায়ী ভাঙনরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে রংচী গ্রামটি এবার হাওরের বুকে বিলীন হয়ে যাবে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।


এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, হাওরাঞ্চলের ভাঙনপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জরুরি প্রতিবেদন পাঠানো হবে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ভাঙনরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী সাড়ে তিনশ বছরের প্রাচীন জনপদ রংচী গ্রামটি এখন তীব্র ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। গ্রামটিকে হাওরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের আঘাত থেকে রক্ষা করতে নির্মিত ঢেউ প্রতিরক্ষা দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। দেয়ালের একাধিক অংশ ডেবে যাওয়ায় এটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় দেয়ালটি ভেঙে হাওরের পেটে চলে যেতে পারে ৪৫০ পরিবারের এই গ্রামটি।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গুয়ার হাওরের পশ্চিম তীরবর্তী রংচী গ্রামে প্রায় সাড়ে তিনশ বছর আগে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে। বর্তমানে গ্রামটিতে প্রায় ৪৫০টি পরিবার বসবাস করছে। হাওরের রাক্ষুসে ঢেউ ও স্রোতের আঘাত থেকে ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামটিকে রক্ষার জন্য ২০১১-২০১২ অর্থবছরে সরকারি অর্থায়নে একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হয়। তবে নির্মাণের পর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো ধরনের সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ না করায় দেয়ালটির বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং একাধিক স্থান ধসে পড়েছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, দেয়ালের বেশ কিছু অংশ মাটি থেকে সরে গেছে, যার ফলে সামান্য পানির চাপেই এটি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ অবস্থায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি এবং টাঙ্গুয়ার হাওরের উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এই প্রতিরক্ষা দেয়ালটি সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে পানির নিচে থাকায় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে দেয়ালটি আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গ্রামের বাড়িঘর সরাসরি ভাঙনের মুখে পড়ে।


রংচী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে বলেন, বর্ষা মৌসুমে দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ার আগেই এই প্রতিরক্ষা দেয়ালটি পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। একই সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী এর উচ্চতা বৃদ্ধি করে স্থায়ী ভাঙনরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে রংচী গ্রামটি এবার হাওরের বুকে বিলীন হয়ে যাবে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।


এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, হাওরাঞ্চলের ভাঙনপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জরুরি প্রতিবেদন পাঠানো হবে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ভাঙনরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com