শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি: ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ও ভমবমি বাজারে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে।
ঈদ আর মাত্র ৮ দিন বাকি থাকতেই মঙ্গলবার থেকে হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছে দেশি-বিদেশি ছোট-বড় গরু। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় থাকলেও বড় গরুর তুলনায় মাঝারি মানের গরুর চাহিদাই বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট পাথারিয়া বাজারে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার গরু এসেছে। তবে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় বড় গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিক্রেতারা। বাজারজুড়ে ছোট ও মাঝারি গরুর বেচাকেনা বেশি হচ্ছে।
গরু ব্যবসায়ীরা জানান, এবছর বাজারে গরুর সংখ্যা বেশি হলেও ক্রেতা কম এবং দাম তুলনামূলক কম। ফলে বড় গরু বিক্রি না হওয়ায় তারা ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।
দিরাই উপজেলার শরীফপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন জানান, ১৬টি গরু নিয়ে এসে তিনি তিনটি ছোট গরু বিক্রি করতে পারলেও বড় গরুগুলো এখনো অবিক্রিত রয়েছে। এতে প্রায় ৬ লাখ টাকা ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে গরুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা কম থাকায় দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে তারা আশা করছেন আগামী কয়েকদিনে হাট আরও জমে উঠবে।
ভমবমি বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিতু মিয়া জানান, মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি হওয়ায় সেগুলোর বেচাকেনা ভালো হচ্ছে, তবে বড় গরুর বিক্রি কম।
পাথারিয়া বাজারের ইজারাদার আবদুল মোমিন বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং আশুলের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।
ঈদের আগে শেষ কয়েকদিনে হাট আরও জমে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি: ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ও ভমবমি বাজারে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে।
ঈদ আর মাত্র ৮ দিন বাকি থাকতেই মঙ্গলবার থেকে হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছে দেশি-বিদেশি ছোট-বড় গরু। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় থাকলেও বড় গরুর তুলনায় মাঝারি মানের গরুর চাহিদাই বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট পাথারিয়া বাজারে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার গরু এসেছে। তবে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় বড় গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিক্রেতারা। বাজারজুড়ে ছোট ও মাঝারি গরুর বেচাকেনা বেশি হচ্ছে।
গরু ব্যবসায়ীরা জানান, এবছর বাজারে গরুর সংখ্যা বেশি হলেও ক্রেতা কম এবং দাম তুলনামূলক কম। ফলে বড় গরু বিক্রি না হওয়ায় তারা ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।
দিরাই উপজেলার শরীফপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন জানান, ১৬টি গরু নিয়ে এসে তিনি তিনটি ছোট গরু বিক্রি করতে পারলেও বড় গরুগুলো এখনো অবিক্রিত রয়েছে। এতে প্রায় ৬ লাখ টাকা ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে গরুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা কম থাকায় দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে তারা আশা করছেন আগামী কয়েকদিনে হাট আরও জমে উঠবে।
ভমবমি বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিতু মিয়া জানান, মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি হওয়ায় সেগুলোর বেচাকেনা ভালো হচ্ছে, তবে বড় গরুর বিক্রি কম।
পাথারিয়া বাজারের ইজারাদার আবদুল মোমিন বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং আশুলের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।
ঈদের আগে শেষ কয়েকদিনে হাট আরও জমে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।