ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: কৃষির আধুনিকায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ কৃষি জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পার্টনার কংগ্রেসের এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলার অতিরিক্ত কৃষি উপপরিচালক নাজমুল কবির। সঞ্চালনা করেন উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. চঞ্চল মিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসয়াদ বিন খলিল রাহাত।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন ধর্মপাশা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম আহম্মেদ, সাংবাদিক রাজু ভুঁইয়া ও এমারুল হক, বেসরকারি সংস্থা কারিতাসের মাঠ সহায়ক এস এম সৌরভ এবং কৃষক আব্দুল আজিজসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, কৃষিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী করতে ২০২৩ সালে শুরু হওয়া পার্টনার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, প্রদর্শনী প্লট স্থাপন এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ, কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, এনজিও প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: কৃষির আধুনিকায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ কৃষি জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পার্টনার কংগ্রেসের এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলার অতিরিক্ত কৃষি উপপরিচালক নাজমুল কবির। সঞ্চালনা করেন উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. চঞ্চল মিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসয়াদ বিন খলিল রাহাত।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন ধর্মপাশা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম আহম্মেদ, সাংবাদিক রাজু ভুঁইয়া ও এমারুল হক, বেসরকারি সংস্থা কারিতাসের মাঠ সহায়ক এস এম সৌরভ এবং কৃষক আব্দুল আজিজসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, কৃষিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী করতে ২০২৩ সালে শুরু হওয়া পার্টনার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, প্রদর্শনী প্লট স্থাপন এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ, কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, এনজিও প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।