সিলেট জেলার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মৌখিক পরীক্ষা শেষে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৭ মে ) ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক।
ঘোষিত ফলাফলে জানানো হয়, শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সিলেট জেলায় মোট ৬৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
নিয়োগ বোর্ড জানায়, শারীরিক পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষাসহ প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের যোগ্যতা কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হয়। সকল ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই চূড়ান্তভাবে প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
ফলাফল ঘোষণার সময় পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের তদবির, প্রভাব বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, যোগ্য প্রার্থীরাই কেবল পুলিশ বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আরও দক্ষ বাহিনী গঠনে সহায়ক হবে।
নিয়োগ বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচিত প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এরপর চূড়ান্তভাবে তাদের প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত করা হবে।
সিলেট জেলা পুলিশ প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, নবনির্বাচিত সদস্যরা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ সদস্য হিসেবে দেশের সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
সিলেট জেলার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মৌখিক পরীক্ষা শেষে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৭ মে ) ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক।
ঘোষিত ফলাফলে জানানো হয়, শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সিলেট জেলায় মোট ৬৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
নিয়োগ বোর্ড জানায়, শারীরিক পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষাসহ প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের যোগ্যতা কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হয়। সকল ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই চূড়ান্তভাবে প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
ফলাফল ঘোষণার সময় পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের তদবির, প্রভাব বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, যোগ্য প্রার্থীরাই কেবল পুলিশ বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আরও দক্ষ বাহিনী গঠনে সহায়ক হবে।
নিয়োগ বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচিত প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এরপর চূড়ান্তভাবে তাদের প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত করা হবে।
সিলেট জেলা পুলিশ প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, নবনির্বাচিত সদস্যরা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ সদস্য হিসেবে দেশের সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।