নিউজ ডেস্ক।
সিলেটের সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা এবং প্রবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে “গ্লোবালাইজিং সিলেট” শীর্ষক সেমিনার।
শনিবার (১৬ মে ) গ্র্যান্ড সিলেট-এ আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আরিফুল হক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী দুই মাসের মধ্যে চালু করা হবে। তিনি জানান, প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিরাপদ ও সহজ করতে সরকার বিশেষ আবাসন ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রকল্প হাতে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, “দেশে জমি কমে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে প্লটভিত্তিক প্রকল্পের পরিবর্তে অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে শুধু প্রবাসীরাই বরাদ্দ পাবেন। এ প্রকল্প সিলেট থেকেই শুরু হতে পারে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রবাসীদের নতুন প্রজন্মকে দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তারা দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে এবং পারিবারিক বন্ধনও আরও দৃঢ় হবে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইমিগ্রেশন এলাকায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ প্রবাসীদের জন্য স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স রাখার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
এছাড়া বিদেশে মৃত্যুবরণকারী প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে এনে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
নিউজ ডেস্ক।
সিলেটের সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা এবং প্রবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে “গ্লোবালাইজিং সিলেট” শীর্ষক সেমিনার।
শনিবার (১৬ মে ) গ্র্যান্ড সিলেট-এ আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আরিফুল হক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী দুই মাসের মধ্যে চালু করা হবে। তিনি জানান, প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিরাপদ ও সহজ করতে সরকার বিশেষ আবাসন ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রকল্প হাতে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, “দেশে জমি কমে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে প্লটভিত্তিক প্রকল্পের পরিবর্তে অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে শুধু প্রবাসীরাই বরাদ্দ পাবেন। এ প্রকল্প সিলেট থেকেই শুরু হতে পারে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রবাসীদের নতুন প্রজন্মকে দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তারা দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে এবং পারিবারিক বন্ধনও আরও দৃঢ় হবে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইমিগ্রেশন এলাকায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ প্রবাসীদের জন্য স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স রাখার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
এছাড়া বিদেশে মৃত্যুবরণকারী প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে এনে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী।