Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৩ মে ২০২৬ · ০৯:২৯ অপরাহ্ন

চার বছরের শিশুকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা, অবশেষে গ্রেফতার জাকির

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

নিউজ ডেস্ক। 

সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন এলাকায় চাঞ্চল্যকর শিশু ফাহিমা আক্তার (০৪) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জাকির হোসেন (৩০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাতে জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে সোনাতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।


গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন সোনাতলা পশ্চিমপাড়া, ধন রায়েরচক এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় মামলা নং-০৪, তারিখ ০৮/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


পুলিশ জানায়, নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। পরে তার দেখানো মতে বাদাঘাট থেকে শিবেরবাজারের মধ্যবর্তী টেকেরবাড়ি এলাকার একটি খাল থেকে ভিকটিমের লাশ গুমে ব্যবহৃত ধূসর, সবুজ ও খয়েরি রঙের স্ট্রাইপ দেওয়া একটি শাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামির শয়নকক্ষের আলমারির ওপর থেকে একটি কালো সুটকেস এবং খাটের নিচের মেঝে থেকে ভিকটিমের রক্তমাখা বালি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।


জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায়, গত ০৬ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সে নিজ বসতঘরে একা অবস্থান করছিল। এ সময় শিশু ফাহিমা আক্তারকে ২০ টাকা দিয়ে বাড়ির সামনের দোকান থেকে দুটি সিগারেট আনতে পাঠায়। শিশুটি সিগারেট নিয়ে ঘরে ফিরলে নির্জনতার সুযোগে আসামি শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।


ঘটনা গোপন রাখতে আসামি প্রথমে লাশ একটি শাল দিয়ে পেঁচিয়ে কালো রঙের একটি লাগেজে ভরে ঘরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ক্যাবিনেটের ওপর লুকিয়ে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে লাশটি খাটের নিচে সরিয়ে রাখে। পরবর্তীতে ০৮ মে ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাড়ির সামনে একটি ডোবায় লাশ ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা করে। তবে লাশ ভেসে উঠলে সেটি পানি থেকে তুলে ডোবার পশ্চিম পাশে এবং উঠানের পূর্ব পাশে বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে রেখে যায়।


পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

নিউজ ডেস্ক। 

সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন এলাকায় চাঞ্চল্যকর শিশু ফাহিমা আক্তার (০৪) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জাকির হোসেন (৩০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাতে জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে সোনাতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।


গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন সোনাতলা পশ্চিমপাড়া, ধন রায়েরচক এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় মামলা নং-০৪, তারিখ ০৮/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


পুলিশ জানায়, নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। পরে তার দেখানো মতে বাদাঘাট থেকে শিবেরবাজারের মধ্যবর্তী টেকেরবাড়ি এলাকার একটি খাল থেকে ভিকটিমের লাশ গুমে ব্যবহৃত ধূসর, সবুজ ও খয়েরি রঙের স্ট্রাইপ দেওয়া একটি শাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামির শয়নকক্ষের আলমারির ওপর থেকে একটি কালো সুটকেস এবং খাটের নিচের মেঝে থেকে ভিকটিমের রক্তমাখা বালি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।


জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায়, গত ০৬ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সে নিজ বসতঘরে একা অবস্থান করছিল। এ সময় শিশু ফাহিমা আক্তারকে ২০ টাকা দিয়ে বাড়ির সামনের দোকান থেকে দুটি সিগারেট আনতে পাঠায়। শিশুটি সিগারেট নিয়ে ঘরে ফিরলে নির্জনতার সুযোগে আসামি শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।


ঘটনা গোপন রাখতে আসামি প্রথমে লাশ একটি শাল দিয়ে পেঁচিয়ে কালো রঙের একটি লাগেজে ভরে ঘরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ক্যাবিনেটের ওপর লুকিয়ে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে লাশটি খাটের নিচে সরিয়ে রাখে। পরবর্তীতে ০৮ মে ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাড়ির সামনে একটি ডোবায় লাশ ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা করে। তবে লাশ ভেসে উঠলে সেটি পানি থেকে তুলে ডোবার পশ্চিম পাশে এবং উঠানের পূর্ব পাশে বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে রেখে যায়।


পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com