জৈন্তাপুর, সিলেট:।
জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডেমা জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী ও দানশীল ব্যক্তিত্ব আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু, চেয়ারম্যান, খসরু ফাউন্ডেশন, এই অনুদান প্রদান করেন।
এই অনুদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু ফাউন্ডেশন, যার মূল লক্ষ্য শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সমাজ উন্নয়নে কাজ করা।
গত ৩ মে, অত্র মাদ্রাসার সভাপতি শামিম আহমেদের নিকট এই অনুদান আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু বলেন “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। খসরু ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, শিক্ষা ও মানবতার কল্যাণে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ভবিষ্যতে আরও মানুষকে এ ধরনের কাজে উৎসাহিত করবে।
তারা আরও বলেন, “সমাজ উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও মানবিক উদ্যোগ একসাথে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন, আর এ ধরনের ফাউন্ডেশন সেই কাজেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
এমন মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট মহল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ফাউন্ডেশনের সফলতা কামনা করেছেন।
জৈন্তাপুর, সিলেট:।
জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডেমা জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী ও দানশীল ব্যক্তিত্ব আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু, চেয়ারম্যান, খসরু ফাউন্ডেশন, এই অনুদান প্রদান করেন।
এই অনুদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু ফাউন্ডেশন, যার মূল লক্ষ্য শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সমাজ উন্নয়নে কাজ করা।
গত ৩ মে, অত্র মাদ্রাসার সভাপতি শামিম আহমেদের নিকট এই অনুদান আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু বলেন “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। খসরু ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, শিক্ষা ও মানবতার কল্যাণে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ভবিষ্যতে আরও মানুষকে এ ধরনের কাজে উৎসাহিত করবে।
তারা আরও বলেন, “সমাজ উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও মানবিক উদ্যোগ একসাথে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন, আর এ ধরনের ফাউন্ডেশন সেই কাজেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
এমন মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট মহল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ফাউন্ডেশনের সফলতা কামনা করেছেন।