সিলেট: আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক ও কর্মচারী না রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক ঘটনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রয়োজনে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসাগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী পরিচালিত করা উচিত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অবৈধ মাদ্রাসা ও এতিমখানার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নির্ধারিত মানদণ্ড ও যোগ্যতা পূরণ না করলে এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা না দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। এর আওতায় নিয়মিত পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা কার্যক্রম, হটলাইন ও অভিযোগ বক্স স্থাপনের সুপারিশ করেন।
তিনি বলেন, শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকতে হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তরা যাতে পরবর্তীতে কোনো শিক্ষা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করতে পারে, তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্তানদের শিক্ষা ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি, যাতে তারা নিরাপদভাবে সবকিছু জানাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের কারণে এসব ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী মনে করেন, সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অসচেতনতা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সিলেট: আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক ও কর্মচারী না রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক ঘটনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রয়োজনে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসাগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী পরিচালিত করা উচিত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অবৈধ মাদ্রাসা ও এতিমখানার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নির্ধারিত মানদণ্ড ও যোগ্যতা পূরণ না করলে এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা না দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। এর আওতায় নিয়মিত পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা কার্যক্রম, হটলাইন ও অভিযোগ বক্স স্থাপনের সুপারিশ করেন।
তিনি বলেন, শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকতে হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তরা যাতে পরবর্তীতে কোনো শিক্ষা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করতে পারে, তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্তানদের শিক্ষা ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি, যাতে তারা নিরাপদভাবে সবকিছু জানাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের কারণে এসব ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী মনে করেন, সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অসচেতনতা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।