ঢাকা: বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, “জেলা প্রশাসকদের কাছে আমাদের মূল অনুরোধ হলো, আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে তারা যেন নজরদারি বাড়িয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।” এর আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের পৃথক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি জানান, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কীভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাজার ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান কাঠামোগত সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কৃষিপণ্যের উৎপাদক পর্যায়ের মূল্য এবং খুচরা বাজার মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। দীর্ঘ সময়েও বাজার ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে ওঠেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, সরকার প্রথমবারের মতো আমদানি থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনকে একটি এআই-ভিত্তিক (Artificial Intelligence) মডেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, যেসব পণ্য আমদানিনির্ভর, সেগুলোর জন্য কৌশলগত মজুত (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় সীমিত সংখ্যক ব্যবসায়ীর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “তেল-চিনি মতো প্রয়োজনীয় আমদানিনির্ভর পণ্যের অন্তত এক থেকে দুই মাসের মজুদ সরকারের কাছে থাকলে বাজারে কেউ সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াতে পারবে না।”
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার অস্থিতিশীলতার পেছনে শুধু সিন্ডিকেট নয়, বরং বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত অসামঞ্জস্যও দায়ী। এসব সমস্যা সমাধানে আধুনিক স্টোরেজ সুবিধা, কৌশলগত মজুত এবং সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তিনি জানান, সরকার দেশের সব বস্ত্র ও পাটকল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২৫টি বস্ত্রকল ও ২৫টি পাটকল রয়েছে, যার কিছু ইতোমধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোও দ্রুত বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাজার ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা: বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, “জেলা প্রশাসকদের কাছে আমাদের মূল অনুরোধ হলো, আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে তারা যেন নজরদারি বাড়িয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।” এর আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের পৃথক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি জানান, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কীভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাজার ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান কাঠামোগত সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কৃষিপণ্যের উৎপাদক পর্যায়ের মূল্য এবং খুচরা বাজার মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। দীর্ঘ সময়েও বাজার ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে ওঠেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, সরকার প্রথমবারের মতো আমদানি থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনকে একটি এআই-ভিত্তিক (Artificial Intelligence) মডেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, যেসব পণ্য আমদানিনির্ভর, সেগুলোর জন্য কৌশলগত মজুত (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় সীমিত সংখ্যক ব্যবসায়ীর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “তেল-চিনি মতো প্রয়োজনীয় আমদানিনির্ভর পণ্যের অন্তত এক থেকে দুই মাসের মজুদ সরকারের কাছে থাকলে বাজারে কেউ সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াতে পারবে না।”
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার অস্থিতিশীলতার পেছনে শুধু সিন্ডিকেট নয়, বরং বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত অসামঞ্জস্যও দায়ী। এসব সমস্যা সমাধানে আধুনিক স্টোরেজ সুবিধা, কৌশলগত মজুত এবং সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তিনি জানান, সরকার দেশের সব বস্ত্র ও পাটকল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২৫টি বস্ত্রকল ও ২৫টি পাটকল রয়েছে, যার কিছু ইতোমধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোও দ্রুত বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাজার ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।