Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৩ মে ২০২৬ · ১০:৪১ অপরাহ্ন

হাজারো মানুষের স্বপ্ন ঝুলে রয়েছে আজও

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সুলেমান সিদ্দিকী :গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত লালটিকির ব্রিজটি বছরের পর বছর ধরে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের বহুদিনের প্রত্যাশা—একটি নিরাপদ ও চলাচলযোগ্য সেতু—আজও পূরণ হয়নি। ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালটিকির ব্রিজটি একসময় এলাকার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় বর্তমানে এটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর ভাঙা অংশ নদীর পানিতে হেলে পড়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এই সেতুর উপর নির্ভরশীল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন জীবন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ জনগণের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলেও বর্তমানে তা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, তখন বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেতুটি নির্মাণ বা সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে লালটিকির ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

শেষ কথা:

একটি সেতু শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বপ্নের প্রতীক। লালটিকির ব্রিজের এই করুণ অবস্থা যেন আর দীর্ঘস্থায়ী না হয়—এটাই স্থানীয়দের একমাত্র প্রত্যাশা।

সুলেমান সিদ্দিকী :গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত লালটিকির ব্রিজটি বছরের পর বছর ধরে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের বহুদিনের প্রত্যাশা—একটি নিরাপদ ও চলাচলযোগ্য সেতু—আজও পূরণ হয়নি। ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালটিকির ব্রিজটি একসময় এলাকার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় বর্তমানে এটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর ভাঙা অংশ নদীর পানিতে হেলে পড়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এই সেতুর উপর নির্ভরশীল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন জীবন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ জনগণের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলেও বর্তমানে তা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, তখন বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেতুটি নির্মাণ বা সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে লালটিকির ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

শেষ কথা:

একটি সেতু শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বপ্নের প্রতীক। লালটিকির ব্রিজের এই করুণ অবস্থা যেন আর দীর্ঘস্থায়ী না হয়—এটাই স্থানীয়দের একমাত্র প্রত্যাশা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com