Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৩ মে ২০২৬ · ১০:৩০ অপরাহ্ন

বানিয়াচংয়ে বৃষ্টির তাণ্ডব: ২,৫১০ হেক্টর জমি পানির নিচে, কাটা ধানেও পচন ধরছে

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা। 


হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কৃষিক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বিপর্যয়। স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, উপজেলায় ২ হাজার ৫১০ হেক্টর ফসলি জমি সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমি আংশিকভাবে পানিতে নিমজ্জিত।


সরেজমিনে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে আধা-পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যেসব কৃষক আগেভাগে ধান কেটে ঘরে বা খলায় রেখেছিলেন, তারাও এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে খলা ও শুকানোর জায়গা পানিতে ডুবে যাওয়ায় ধান শুকানো যাচ্ছে না, ফলে স্তূপ করে রাখা ধানে চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।


কৃষকদের অভিযোগ, এ বছর ধান উৎপাদন ও কাটার খরচ গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে প্রতি বিঘা ধান কাটতে যেখানে গত বছর খরচ ছিল প্রায় ২ হাজার টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকায়। অথচ বাজারে ধানের দাম খুবই কম, প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, যা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম।


৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রামের কৃষক কবির মিয়া জানান, তিনি ৪৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। এর মধ্যে ২৫ বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি ধান কাটার পর খলায় পানি উঠে যাওয়ায় সেগুলোও নষ্ট হতে শুরু করেছে। তার ভাষায়, নদী ও জমির পানি এক হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।


এদিকে স্থানীয় কৃষকরা এই সংকট মোকাবিলায় দ্রুত সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বিভাগের কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা। 


হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কৃষিক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বিপর্যয়। স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, উপজেলায় ২ হাজার ৫১০ হেক্টর ফসলি জমি সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমি আংশিকভাবে পানিতে নিমজ্জিত।


সরেজমিনে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে আধা-পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যেসব কৃষক আগেভাগে ধান কেটে ঘরে বা খলায় রেখেছিলেন, তারাও এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে খলা ও শুকানোর জায়গা পানিতে ডুবে যাওয়ায় ধান শুকানো যাচ্ছে না, ফলে স্তূপ করে রাখা ধানে চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।


কৃষকদের অভিযোগ, এ বছর ধান উৎপাদন ও কাটার খরচ গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে প্রতি বিঘা ধান কাটতে যেখানে গত বছর খরচ ছিল প্রায় ২ হাজার টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকায়। অথচ বাজারে ধানের দাম খুবই কম, প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, যা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম।


৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রামের কৃষক কবির মিয়া জানান, তিনি ৪৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। এর মধ্যে ২৫ বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি ধান কাটার পর খলায় পানি উঠে যাওয়ায় সেগুলোও নষ্ট হতে শুরু করেছে। তার ভাষায়, নদী ও জমির পানি এক হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।


এদিকে স্থানীয় কৃষকরা এই সংকট মোকাবিলায় দ্রুত সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বিভাগের কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com