Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০২ মে ২০২৬ · ১০:৪২ অপরাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে গরু চরানো নিয়ে দুই গ্রামের উত্তেজনা, সালিশে এড়ানো গেল সংঘর্ষ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

:নিউজ ডেস্ক। 


সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে গরু চরানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো গেছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাজিরের গাঁও (মাঝেরটুক) ও বরম সিদ্দিপুর গ্রামের মধ্যবর্তী শুলমারি বিল এলাকায় গরু চরানো নিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে ইমাম উদ্দিনের ছেলে রায়হান ও জোনাব আলীর ছেলে আকবরের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে বরম সিদ্দিপুর গ্রামের রায়হান আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে উভয় গ্রামের লোকজন বৈঠকে বসে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বরম সিদ্দিপুর গ্রামে মাইকিং করে ছোট-বড় সবাইকে একত্রিত করা হয়। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের প্রস্তুতির খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়।


এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকাতেও উদ্বেগ তৈরি হয়।


খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে শান্ত করার উদ্যোগ নেন। পরে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে দুই পক্ষের কাছ থেকে কিছু টাকা জামানত নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখার শর্তে আপাতত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়।


ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুর রহমান বলেন, “দুই পক্ষই সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়েছিল। আমরা দ্রুত উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে বিষয়টি জানাই। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”


বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

:নিউজ ডেস্ক। 


সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে গরু চরানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো গেছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাজিরের গাঁও (মাঝেরটুক) ও বরম সিদ্দিপুর গ্রামের মধ্যবর্তী শুলমারি বিল এলাকায় গরু চরানো নিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে ইমাম উদ্দিনের ছেলে রায়হান ও জোনাব আলীর ছেলে আকবরের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে বরম সিদ্দিপুর গ্রামের রায়হান আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে উভয় গ্রামের লোকজন বৈঠকে বসে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বরম সিদ্দিপুর গ্রামে মাইকিং করে ছোট-বড় সবাইকে একত্রিত করা হয়। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের প্রস্তুতির খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়।


এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকাতেও উদ্বেগ তৈরি হয়।


খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে শান্ত করার উদ্যোগ নেন। পরে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে দুই পক্ষের কাছ থেকে কিছু টাকা জামানত নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখার শর্তে আপাতত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়।


ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুর রহমান বলেন, “দুই পক্ষই সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়েছিল। আমরা দ্রুত উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে বিষয়টি জানাই। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”


বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com